বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে ইনকাম করার সহজ ২০টি উপায় ২০২১

419
অনলাইনে ইনকাম করার উপায়
অনলাইনে ইনকাম করার উপায়

বর্তমানে আমাদের দেশের অসংখ্য লোক অনলাইনে ইনকাম করছেন। সে জন্য নতুনরা অনুপ্রাণিত হয়ে অনলাইন ইনকাম করার চেষ্টা করছে। আবার কেউ কেউ অনলাইনে ইনকাম বাংলাদেশী সাইট থেকে করে সহজে পেমেন্ট পেতে চাইছেন। অনলাইন কাজ শুরু করার পূর্বে অনেকের মনে আরেকটি প্রশ্ন জাগে যে, আমি অনলাইনে আয় করার পর সেই টাকা কিভাবে হাতে পাব? অনলাইনে আয়ের টাকা কিভাবে হাতে পাবেন সেই বিষয় নিয়ে আপনাকে চিন্ত করতে হবে না। অনলাইনের যে কোন প্লাটফর্ম হতে আপনি টাকা ইনকাম করুন না কেন সেই টাকা আপনার হাতে পৌছতে কোন ধরনের সমস্যা হবে না।

অনলাইনে ইনকাম ২০২১

এই পোস্টে যা যা থাকছে

বর্তমানে বাংলাদেশের লাখো মানুষ তাঁদের জীবিকা নির্বাহ করছে  অনলাইনে ইনকাম করার মাধ্যমে । এটি এমন নয় যে দু-চার দিন একটু সময় দিয়েই হাজার হাজার ডলার ইনকাম করা যায় । আসল অনলাইন থেকে ইনকাম করার জন্য থাকতে হবে বিশাল ধৈর্য্য আর ধৈর্য্য হারা হলেই আপনাকে অনলাই থেকে উপার্জনের আশা বাদ দিতে হবে । যারা মনে করেন যে, পরিশ্রম না করে শুধু ডলার ইনকাম করবেন তাঁরা সে চিন্তা বাদ ‍দিন।

বর্তমান যুগ প্রযুক্তির যুগ। প্রযুক্তির উপর মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে নির্ভরশীল। সকালে ঘুম থেকে উঠার পর থেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত মানুষের এই প্রযুক্তি ও অনলাইনের ছায়ায় থাকে । মানুষের এখন তাই ইন্টারনেট নির্ভর মানসিকতা গড়ে উঠেছে । সেই সাথে কিভাবে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করা যায় সে রাস্তাও আবিষ্কার করার লক্ষে অনলাইনে ইনকাম উপায় খুঁজছে । অনলাইন থেকে খুব সহজেই মানুষ এখন প্রচুর ‍পরিমাণে অর্থ উপার্জন করছে। এখন এই অনলাইন ইনকাম এর উপরে দেশের লাখ লাখ মানুষ গভীর ভাবে নির্ভরশীল।

অনলাইনে ইনকাম করার উপায় ২০২১

আমার অনেক পরিচিত লোক রয়েছে যারা অনলাইন হতে প্রতি মাসে লাখ টাকা অনলাইনে ইনকাম করছে। আবার এমনো কিছু পরিচিত ব্যক্তি আছে যারা অনলাইনে ইনকাম করে তাদের পরিবারেরে ভরণ পোষণ সহ বিলাসিতার জীবন যাপন করছে। আমি নিজেও ২০১৫ সাল হতে অদ্যাবধি চাকরির পাশাপাশি প্রতি মাসে কিছু টাকা অনলাইনে ইনকাম করে যাচ্ছি। আশাকরি আপনার সকলের আন্তরিকতা ও ভালবাসা পেলে ভবিষ্যতে অনলাইনে ইনকামের পরিমানটা আরো বৃদ্ধি করতে পারব।

কয়েক বছর আগেও আমরা অনলাইন থেকে  আয় এর বিষয়টা চিন্তা করতে পারতাম না মোটেও । কিন্তু সময়ের পরিবর্তনরে সাথে সাথে আজ তা সত্যি হয়েছে । সেজন্য অবশ্যই আপনাকে  অনলাইনে আয়ের পথের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে । অর্থাৎ আপনার নিজেকেও যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। আপনি যত দ্রুত নিজেকে তৈরি করতে পারবেন তত দ্রুত আপনার আয়ের পথ সুগম হবে ।

বর্তমান সময়ে মানুষ অনলাইন থেকে আয় করছে কোটি কোটি টাকা। চাইলে আপনিও অনলাইন থেকে আয় করতে পারেন হাজার হাজার ডলার । আপনাদেরকে শুরুতেই  বলে নিচ্ছি যে, এই লিখাটি অনেক বড় হবে । কাজেই আপনাকে খুব ধৈর্য্যসহকারে পড়তে হবে।   মনোযোগ সহকারে যদি পড়েন তাহলে ফ্রিলান্সিং নিয়ে আপনার যত প্রশ্ন আছ সকল প্রশ্নের সমাধান এই আর্টিকেলে পাবেন । আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন আপনার কিভাবে অনলাইনে ইনকাম করা উচিত !

অনলাইনে ইনকাম করার উপায়
অনলাইনে ইনকাম

অনলাইনে ইনকাম করার জন্য কী প্রয়োজন?

আপনি ঘরে বসে মোবাইল দিয়ে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন কি না, সে বিষয়টি আমি শুরুতে ক্লিয়ার করে নিচ্ছি। কারণ অধিকাংশ লোকের কাছে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ না থাকার কারনে অনলাইনে কাজ করতে চায় না। তারা মনেকরে কম্পিউটার ছাড়া মোবাইল দিয়ে অনলাইন হতে আয় করার সম্ভব নয়। কিন্তু আপনি হয়ত জানেন না যে, কম্পিউটার ছাড়াও শুধুমাত্র মোবাইল দিয়ে বিভিন্ন উপায়ে ঘরে বসে অনলাইনে ইনকাম করা যায়। আপনার নিকট যদি একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল থাকে তাহলে আপনি সেই স্মার্টফোন দিয়ে অনলাইন হতে মাসে কিছু টাকা আয় করে নিতে পারবেন।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে অনলাইন ইনকামের বিষয়টি খুবেই নতুন । কিন্তু সারা পৃথিবীতে এটি শুরু হয়েছে বহু আগেই । ঘরে বসে স্বাধীনভাবে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলার মুক্ষম সুযোগ এটি । আজকাল ইন্টারনেট বা ফেসবুকে ঢুকলেই  অনেক প্রশ্ন দেখা যায় যে, ইন্টারনেট থেকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়? ঘরে বসে সহজে কিভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়? কিভাবে খুব সহজে ইন্টারনেট থেকে কাজ পাওয়া যায়? মোবাইল দিয়ে কিভাবে ঘরে বসে টাকা আয় করা যায়?

অনলাইনে ইনকাম করার জন্য শুধুমাত্র আপনার মেধা, শ্রম ও সময়ের প্রয়োজন। আপনি এই তিনটি জিনিস সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে শুধুমাত্র একটি ল্যাপটপ ও ইন্টারনেট কানেকশনের মাধ্যমে ঘরে বসে অনলাইনে আয় বা অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন। আপনি হয়ত বিশ্বাস করতে চাইছেন না! কোন সমস্যা নেই। আমি উদাহরনের মাধ্যমে দেখিয়ে দেব কিভাবে ঘরে বসে অনলাইনে আয় করতে হয়?

এইগুলো পড়তে পারেনঃ-

কেন আপনি অনলাইনে ইনকাম করবেন?

আপনি ছেলে মেয়ে, ছাত্র, চাকরিজীবী যাই হন না কেন, আপনি এই সেক্টর থেকে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন। আপনি একজন ছাত্র বা ছাত্রী হয়ে আপনার পড়ালেখার খরচ যদি আপনি নিজেই জোগাড় করতে পারেন, তাহলে কি সেটা মন্দ হবে? প্রতিদিন অনেক সময় তো ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার, ইত্যাদিতে ব্যায় করেন। চাইলে এই সময় গুলো শুধু চ্যাটিং আর নিউজফিড ঘুটে নষ্ট না করে এখান থেকেও অনলাইনে ইনকাম করা সম্ভব।

এছাড়া পড়া লেখার ফাকে ফাকে বা অবসর সময়ে যদি এই কাজগুলো করেন তাহলে দেখবেন সময়ও নষ্ট হচ্ছেনা এবং পাশাপাশি কোনো খারাপ দিকে মনও যাচ্ছেনা। আর আপনি যখন নিজের খরচ নিজেই জোগাড় করবেন, তখন দেখবেন আপনার নিজের ভেতরে অন্যরকম একটা সন্তুষ্টি কাজ করছে; অন্যরকম একটা ভালোলাগা কাজ করছে। এই ছোট খাটো ব্যাপারগুলো অনেক সময় আপনার ফ্যামেলির কাছ থেকে চেয়ে নিতে পারবেন না। এই জন্য আপনি যদি অল্প সময় ব্যয় করে অনলাইন হতে কিছু টাকা আয় করে নিজের প্রয়োজন নিজেই মিটাতে পারেন, তাহলে নিজেকে যেমন আত্ম নির্ভরশীল মনে হবে তেমনি প্রয়োজন গুলোও মিটে যাবে।

তাই অবশ্যই আপনি চেষ্টা এই কাজের ভেতরে ঢুকে পড়ার। কিছু লাগবেনা অনলাইনে ইনকাম শুরু করতে আপনার। শুধু একটি ডিজিটাল ডিভাইস, ইন্টারনেট সংযোগ এবং কাজ করার ইচ্ছা। কিভাবে কি করবেন তার বিস্তারিত নিচে আলোচনা করা হলো।

অনলাইন ইনকাম এর সেরা ২০টি উপায়

অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে কে না চায়! সবারই ইচ্ছে থাকে অনলাইন থেকে কিছু আয় করার। অনলাইন ইনকাম সোর্স অনেক আছে। কিন্তু তারমধ্যে ভালো বা খারাপও আছে।

আমরা আজকের এই পোস্টে এমন ১০টি অনলাইন ইনকামের উপায় জানব যেগুলো থেকে আপনি যেমন অনেকটা নিশ্চিন্তে আয় করতে পারবেন, একই রকমভাবে স্বচ্ছলভাবে আয়ও করতে পারবেন। বর্তমানে অসংখ্য মাধ্যম আছে অনলাইনে যেখান থেকে আপনি অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন। এর মধ্যে থেকে সেরা ২০ টি উপায় নিচে দেয়া হলোঃ

১. ফ্রিলান্সিং করে অনলাইনে ইনকাম

নিজের ইচ্ছামাফিক প্রচলিত চাকুরীর বাইরে গিয়ে কাজ করার স্বাধীনতা হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। যদিও ফ্রিলান্সিং বিষয়টি আমাদের দেশে  এখনও  নতুন, কিন্তু এরই মধ্যে নিজেদের ভাগ্যকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছেন অনেকে ফ্রিল্যান্সার । আপনার ভবিষ্যৎ প্রফেশনাল ক্যারিয়ার গড়ে নিতে পারেন পড়ালেখার সাথে সাথে ফ্রিল্যান্সিং করে । বিলিয়ন  বিলিয়ন ডলারের একটা বিশাল মার্কেট হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং  । ইন্টারনেটের কল্যাণে ঘরে বসে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন এখন খুব সহজেই । আপনার কাজ জানা থাকলে খুব কম সময় এর মধ্যে আয় শুরু করতে পারবেন। কাজ জানা না থাকলে, আগেই কাজ শিখতে হবে তারপর ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মে চেষ্ট করতে হবে। তবুও সময় লাগতে পারে 5 হতে 6 মাস পর্যন্ত ।

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার পরের দিন থেকেই যে অনলাইনে ইনকাম শুরু হবে তা অসম্ভব । কিন্তু যদি লেগে থাকা যায় তাহলে খুব দ্রুতই ফ্রিল্যান্সিং পেশার মাধ্যমে অনলাইন থেকে আয় করা যাবে হাজার হাজার ডলার । বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে জানে না খুব কম সংখ্যক ব্যাক্তি । ইন্টারনেট জগৎ এ বিভিন্ন ধরনের কাজ আছে যা করার মধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন হাজার হাজার ডলার ।আর হাজার হাজার ডলার আয় করতে হলে আপনাকে প্রথমত হতে হবে একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার।

কিভাবে শুরু করবেন এখন আসি এই কাজ। যে কাজে আপনি দক্ষ সে কাজটি একটি নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের বিনিময়ে করে দেয়াই হচ্ছে মুলত ফ্রিলান্সিং । আপনার ক্লায়েন্ট হবে বিভিন্ন দেশের এবং আপনি ঘরে বসেই আপনার কাজ সম্পাদন করতে পারবেন ও তা পরিবর্তন হতে থাকবে সময়ের সাথে সাথে । সবার প্রথমে আপনার এখানে দরকার একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা। হতে পারে Graphics Design, Photo Editing, Web Design, Website Making , Copywriting, Content Writing, Logo Design ইত্যাদি।

অনলাইনে ইনকাম করার উপায়
অনলাইনে ইনকাম করার উপায়

যেকোনো একটি বিষয়ে  দক্ষতা অর্জন করতে পারলেই আপনি ফ্রিলাঞ্চিং শুরু করতে পারবেন। আপনার টাকা ইনকামের সুযোগ বেশি  যদি আপনি একাধিক কাজ পারেন সেক্ষেত্রে । কাজ শেখার পর বিভিন্ন ফ্রিলান্সিং সাইটে (যেমন- Freelancer, Upwork, Fiver, ইত্যাদি)  সাইটে তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। কোন কোন কাজে পারদর্শী সেগুলো ওই সাইটে উল্লেথ করে দিতে হবে তারপর।

অনলাইন ইনকাম সাইট বর্তমান সময়ে অনেক আছে। কিন্তু ভালো মানের সাইট  খুবই কম। তাই কোনো সাইটে কাজ শুরু করার পূর্বে অবশ্যই ভালো ভাবে সাইটটি যাচাই করে নিতে হবে । সব কিছু দেখে যদি ভালো বলে মনে হয় তাহলেই সেই সাইটে কাজ করা শুরু করতে পারেন । তারপর প্রমানের জন্য আপনার পূর্বেই সম্পাদিত কোনো কাজ থাকলে সেটা ওই ওয়েবসাইটে সাজিয়ে রাখতে হবে পোর্টফোলিও আকারে । এতে করে আপনার ক্লায়েন্ট আপনাকে কাজে নিয়োজিত করবে আপনার পোর্টফলিও দেখে পছন্দ করলে তবেই ।

তাই ভালো একটা পোর্টফলিও তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । কাজ পেতে একটি অসুবিধা হতে পারে প্রথম প্রথম । সেক্ষেত্রে  পরিচিত কোন ফ্রিলান্সারের রেফারেন্স নিতে পারেন। আপনার প্রথম ক্লায়েন্ট ভালো একটা রিভিউ দিলে দেখবেন কাজ আসতেই থাকবে আসতেই থাকবে । প্রথমে বিভিন্ন কন্টেস্টে অংশগ্রহন করেও ক্লায়েন্ট পেতে পারেন ।

২. ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে অনলাইনে ইনকাম

তখনোই সফলতা অর্জন করা সম্ভব যখন আপনি মন থেকে ফ্রিল্যান্সিং করতে চাইবেন । কারণ ফ্রিল্যান্সিং থেকে আয় করতে চাইলে অনেক বেশি ধৈর্য ধরতে হবে। ভাই আমি তো ফ্রিলান্সিং এ একদমই নতুন অনেকেই এই প্রশ্নটা করে । প্রথম অবস্থায় কোন কাজটি শিখে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবো ? অনেকেই বলে ভাই আমি ছাত্র, আমি পড়ালেখার পাশাপাশি অল্প হলেও অনলাইনে ইনকাম করতে চাই কিন্ত আমার কাছে কোন টাকা নেই, কিভাবে কি করবো  আমাকে একটু পরার্মশ দেন।

তাদেরকে বলবো, আপনি প্রথমে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখুন । ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা আকাশচুম্বী বর্তমানে। একজন ডিজিটাল মার্কেটার এর কাজের ক্ষেত্র বিভিন্ন কম্পানিগুলোতে যেরকমভাবে  তৈরি হচ্ছে অনলাইন মার্কেটিপ্লেসগুলোতেও  ঠিক সেভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং এর  ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে । ডিজিটাল মার্কেটিং এর খুঁটিনাটি শেখার প্রয়োজনীয়তা  নিজের বিজনেসের জন্যও অপরিহার্য । কারণ পন্য বিক্রয় কার্যক্রম খুব ভালোভাবে সম্পন্ন হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে ।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে পণ্য বা ব্র্যান্ডের প্রচারই হল ডিজিটাল মার্কেটিং । ইন্টারনেট এর সাথে ডিজিটাল মার্কেটিং ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত । 

ডিজিটাল মার্কেটিং এর  অনেকগুলা ভাগ আছে । যেমনঃ 

  1. SEO  বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন 
  2. SEM  বা সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং
  3. Email Marketing (ইমেইল মার্কেটিং)
  4. Article or কনটেন্ট রাইটিং
  5. ফেসবুক মার্কেটিং
  6. ইউটিউব মার্কেটিং
  7. টুইটার মার্কেটিং
  8. সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং 
  9. ভাইরাল মার্কেটিং
  10. এফিলিয়েট মার্কেটিং
  11. গুগল ডিসপ্ল্যে নেটওয়ার্ক
  12. মোবাইল মার্কেটিং
ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে অনলাইনে ইনকাম
ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে অনলাইনে ইনকাম

৩. ব্লগিং করে অনলাইনে টাকা ইনকাম

যদিও ব্লগিং থেকে অনলাইনে ইনকাম করার জন্য সময় ও পুজি দুইটি আবশ্যক । অনলাইন থেকে টাকা আয় করার জন্য ব্লগিং একটি যোগ উপযোগী সিদ্ধান্ত। এই পদ্ধতিতে বেশ ভালো অঙ্কের টাকা ইনকাম করা সম্ভব। এটি একটি ডিজিটাল নিউজ পেপার । আপনি আপনার মন মতো ইউনিক একটি বিষয় নিয়ে লিখবেন এই ব্লগ সাইটে। যার উক্ত বিষয়টি জানার প্রয়োজন সে ব্লগ সাইটে এসে তা পড়বে ।

এখন আপনি যে লেখাটি দেখছেন আর পড়ছেন এটিও একটি ব্লগ। সুতরাং বুঝতেই পারছেন এই বিষয়টা। লেখালেখি নিয়ে যদি আপনার আগ্রহ থেকে থাকে , তাহলে আপনি খুব সহজেই ব্লগ সাইট থেকে ব্লগিং এর মধ্যমে ইনকাম করতে পারেন। যে বিষয় সম্পর্কে আপনার  অভিজ্ঞতা বেশি সে বিষয় নিয়ে ব্লগিং করলে তা থেকে সবথেকে বেশি সফলতা পাওয়া যাবে।

তাই আপনি যে বিষয় সম্পর্কে বেশি জানেন বা পারদর্শী, সে বিষয় বা নিশে  (niche) নিয়েই কাজ করতে পারেন। নিশ বলতে নির্দিষ্ট কিছু বিভাগ বোঝায় যেমনঃ  টেকনোলজি, ভ্রমন, আইন, রান্না, খেলাধুলা, জীবনী, ইত্যাদি। উদাহরণ স্বরূপ কোনো এক জায়গায় ভ্রমনে গিয়ে আপনার যে যে  অভিজ্ঞতা হয়েছিলো সেটি নিয়ে বিস্তারিত ব্লগ লিখতে পারেন।

এখন প্রশ্ন করতে পারেন যে, কোথায় লেখা–লেখি করবেন?

 আপনি যদি  ব্লগ সাইট নিজে বানিয়ে নিতে পারেন তাহলে সব থেকে ভালো হয় । এখন কোনো খরচ ছাড়াই ব্লগ সাইট বানানো যায়। কিভাবে ব্লগ সাইট বানাতে হয় তা জানতে ইউটিব সার্চ করেন অনেক ভিডিও পাবেন । কিন্তু ফ্রি সাইটগুলোকে মানুষ খুব কম বিশ্বাস করে।

তাই পরামর্শ থাকবে কিছু টাকা খরচ করে ডোমেইন ও হোস্টিং কিনে ব্লগিং শুরু করেন ।  আর একটি সুন্দর ও আকর্ষণীয় সাইট তৈরি করুন। এরপর সেখানে ব্লগিং শুরু করুন । এক্ষেত্রে কিছু টাকা খরচ হবে । আর ফ্রি ব্লগ সাইট খোলার ক্ষেত্রে আপনি খুব সহজেই ব্লগান ডট কম ( Blogger.com) থেকে খুব সহজেই ব্লগসাইট খুলতে পারেন।

আপনি মোবাইল বা কম্পিউটার যেকোন মাধ্যম দিয়েই কাজ করতে পারেন। যারা মোবাইল দিয়ে অনলাইন থেকে টাকা ইনকামের কথা ভাবছেন তাদের জন্যও এটি হচ্ছে সুবর্ণ সুযোগ । যদি থাকে ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর কিছুটা ধারনা , তাহলে কিন্তু আপনি সহজেই আপনার সেই ব্লগ সাইটে  প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর বা ট্রাফিক  আনতে পারবেন। ফলে আপনার ইনকাম  বহুগুণ বেড়ে যাবে ।

ব্লগ তৈরি করার পর আপনাকে Google Adsense এ আবেদন করতে হবে। গুগল যদি আনার আবেদন গ্রহন করে তবে আপনার ব্লগ সাইটে তাদের এড সো করাবে  আর এর মাধ্যমে আপনার সাইট থেকে ডলার ইনকাম হবে।

৪. ফেসবুক থেকে টাকা আয়

ফেইসবুক হল একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম । আজ থেকে কিছু ‍দিন আগেও মানুষ কল্পনা করতে পারেনি যে , ফেইসবুক থেকেও টাকা ইনকাম করা যাবে । কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সেই ধারণা পাল্টে গেছে । বর্তমানে ফেসবুক হল টাকা আয় করার একটি বৃহৎ উৎস ।

সর্বশেষ  গণনা ২০২১ অনুযায়ী দেখা গিয়েছে  বাংলাদেশের  প্রায় ৪০০৫০০০০ ( চার কোটি পঞ্চাশ হাজার) জন ফেসবুক ইউজার । বাংলাদেশের ফেসবুক ইউজারের বেশির ভাগের বয়স ১৮ বছর থেকে ২৮ বছরের মধ্যে। আপনি আপনার যে কোন ব্যবসা নিসন্দেহে শুরু করে দিতে পারবেন ফেইসবুকের মাধ্যমে ।

ফেসবুকের এডব্রেকস সুবিধার মাধমে আপনি আপনার ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করে বা লাইভ করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন । ফেসবুক বিভিন্ন কোম্পানির এড বসাবে  আপনার অপলোড করা ভিডিওতে। আপনি সেই অ্যাড থেকে অনলাইনে ইনকাম কিছু অংশ পাবেন সেই এডে যদি কেউ ক্লিক করে তাহলেই  । তবে আপনাকে কিছু শর্ত পুরুন করতে হবে এডব্রেকস সুবিধা পেতে ।

যেমনঃ

  • ১০০০০ (দশ হাজার) ফলোয়ার থাকতে হবে।
  • শেষ ৬০ দিনে ৬০০০০০ (ছয় লক্ষ ) মিনিট ভিউ হতে হবে এবং ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার)  মিনিট ভিউ হতে হবে ৩ মিনিটের বেশী ভিডিওতে কমপক্ষে ১ মিনিট করে ।
  • ৫ টি একটিভ  ভিডিও থাকতে হবে পেইজে
  • ১৫,০০০ হাজার মানুষের নিকট শেষ ৬০ দিনে আপনার পোস্ট পৌছাতে হবে

বি:দ্র: পেইজে কোন কপিরাইট ভিডিও থাকতে পারবে না বা কপিরাইট কিছু পোস্টও করা যাবে না ।

আপনি এডব্রেকস সুবিধার জন্য আবেনদ করতে পারবেন  ‍শুধুমাত্র এই শর্তগুলি পুরন হলেই ।

৫. ইউটিউবে কাজ করে অনলাইনে ইনকাম

বাংলাদেশে অনেক বড় বড় ইউটিউবার আছে যারা তাদের জীবিকা নির্বাহ করে ইউটিউবিং করে । তাদের কারো কারো ইনকাম প্রতি মাসে  ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে । আপনিও চাইলেই ইউটিউবিং করতে পারেন।সে জন্য আপনাকে ভিডিও বানিয়ে ইউটিউবে ছাড়তে হবে ।

প্রথম অবস্থায় আপনার ভিডিও বানাতে ক্যামেরা না থাকলেও চলবে। প্রথমে মোবাইল দিয়ে ভিডিও করে শুরু করে দিতে পারেন আপনার ইউটিউব যাত্রা। সময়ের সাথে আপনি ভালো মানের ক্যামেরার ব্যবহার শুরু করবেন । আপনার কন্টেন্ট যদি ইউনিক ও ভালো মানের হয় তাহলে খুব তাড়াতাড়িই আপনি ভিউয়ার পেয়ে যাবেন।

আপনারা যদি প্রফেশনালভাবে ইউটিউবে কাজ করতে করতে চান তাহলে অডিও ও ভিডিও এডিটিং খুবই ভালো ভাবে করতে হবে যদি না পরেন তাহলে কোর্স করে শিখতে হবে । সর্বনিম্ন এক হাজার সাবস্ক্রাইবার হয়ে গেলে এবং ন্যূনতম ৪০০০ ঘন্ট ভিউ টাইম হয়ে গেলে আপনি আবেদন করতে পারবেন মানিটাইজেশন এর জন্য । এর পরে প্রতিটা ভিডিওতে মানিটাইজেশন অন করে নিলেই আপনার ইউটিউব থেকে ইনকাম শুরু হয়ে যাবে।

অনলাইনে ইনকাম করার উপায়
অনলাইন ইনকাম পদ্ধতি

তাছাড়াও আপনি স্পন্সারের মাধ্যমেও বিভিন্ন জায়গা থেকে ইনকাম করতে পারেন। দেখা গেলো কোনো একটা পন্যের মার্কেটিং এর জন্য কোনো একটা কোম্পানি আপনার ভিডিও তে তার ওই পন্য বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য বললো। আপনি এক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন দিতে সম্মতি প্রকাশ করলে কোম্পানী আপনাকে আপনার চাহিদামত টাকা পেমেন্ট করবে।

৬. ইন্সাটাগ্রাম থেকে অনলাইনে টাকা ইনকাম

আরেকটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম হল ইন্সাটাগ্রাম। যদিও জনপ্রিয়তার বাংলাদেশে এর চাহিদা তত বেশি নয়, তারপরও দিন দিন এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ইন্সাটাগ্রাম ফলোয়ার থাকাটা জরুরি ইন্সাটাগ্রাম থেকে আয় করার জন্য । আপনার ফলোয়ার যদি  ১০,০০০ হাজার এর উপর হয় তাহলেই বিভিন্ন কোম্পানি তাদের পণ্যের বিজ্ঞাপণের জন্য আপনার সাথে চুক্তি করবে। পপুলার ইন্সাটাগ্রাম প্রফাইল ওনাদের InfluencermarketingHub কম্পানিটি সাধারণত অনেক বেশি কাজ দিয়ে থাকে। প্রতিবছর ৫ হতে ৬ হাজার ডলার ইনকাম করা সহজ ইন্সটাগ্রাম থেকে যদি মিনিমাম ইন্সটাগ্রাম ফলোয়ার থাকে।

৭. আর্টিকেল লিখে অনলাইনে টাকা আয়

বর্তমানে এই কন্টেন্ট বা আর্টিকেল রইটারের জনপ্রিয়তা ফ্রিলান্সিং সেক্টরে অনেক বেশি ।  ভালো আর্টিকেল রাইটার পাওয়াটাই বর্তমানে মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে । বিশেষ করে আর্টিকেল রাইটার তেমন পাওয়ায় যায় না বাংলাদেশের ফ্রিল্যানসিং সেক্টরে । এই সেক্টরে দক্ষ লোকের অভাব খুবই বেশি ।

আপনি মোবাইল দিয়েই ঘরে বসে আর্টিকেল রাইটিং করহে পারেন যদি আপনি চেষ্টা করেন । আর এর ফলেই অনলাইনে ইনকাম করতে পারেন হাজার হাজার টাকা । প্রফেশনাল মানের কন্টেন্ট রাইটার যদি আপনি হতে পারেন তাহলে আপনার কাজ পাওয়া কোন চিন্তা করেতে হবে না ,কাজই আপনার কাছে  এসে ধরা দিবে । দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েই চলছে কন্টেন্ট রাইটারের চাহিদা ।

আপনার পছন্দ মত যে কোনো বিষয় এর উপর লেখালেখি করতে পারেন। শুধু একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, সেটি হল যে বিষয়টি নিয়ে আপনি লেখালেখি করবেন সেই বিষয়টি সম্পর্কে আপনার যেন ভালো ধরনা থাকে।

একজন ভালো কন্টেন্ট রাইটার প্রতি মাসে $1000 থেকে $2000 ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারে। ইংরেজিতে কন্টেন্ট রাইটিং এর চাহিদা ব্যাপক । বাংলায় কন্টেন্ট রাইটিং করে ভালো টাকা আয়ের কোন সুযোগ এখনো তৈরি হয়নি । তবে আগামীতে যে হবে না, তেমনটা কিন্তু নয়।

৮. সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট ম্যানেজমেন্ট করে টাকা আয়

প্রতি মাসের 300 ডলার হতে 500 ডলার আয় করা সম্ভব সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট ম্যানেজমেন্ট  এর মাধ্যমে । আর এটা নির্ভর করবে আপনি কত গুলো সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট ম্যানেজমেন্ট করবেন তার উপর )

এজেন্সির মাধ্যমে মোস্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হয়ে অনলাইনে খুব সহজেই টাকা আয় করা সম্ভব। নিজের এজেন্সি তৈরি করে কাজ পাওয়াটা সমস্যেই প্রথম দিকে । অনেক পলিটিক্যাল ব্যাক্তি ও মিডিয়া রিলেটেড  ব্যাক্তি  নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল ম্যানেজমেন্ট করার সময় পায় না। আর তাই তৃতীয় ব্যাক্তির দরকার হয় সেই ব্যাক্তিদের সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট ম্যানেজমেন্ট করার জন্য । একটি পোর্টফলিও ওয়েবসাইট থাকা দরকার সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট কাজ পাওয়ার জন্য ।

আপনি কি ধরণের কাজ ও সেবা দিতে পারবেন তার বিস্তারিত পোর্টফলিও ওয়েবসাইট এ উল্লেখ থাকবে। আর সেখান থেকেই আপনি কাজ পাবেন ।

৯. ভাষা ট্রান্সলেটর হিসেবে অনলাইন থেকে টাকা আয়

ভাষা ট্রান্সলেটর হিসেবে অনলাইনে প্রতি মাসে সম্ভব্য আয় 200 হতে 400 ডলার। ভাষা ট্রান্সলেটর হিসেবে অনলাইন এবং অফলাইন দুই দিক থেকে টাকা ও ডলার আয় করা যায় । আপনাকে অবশ্যই বিভিন্ন ভাষা জানতে হবে ভাষা ট্রান্সলেট করে অনলাইনে ইনকাম করার জন্য । আপনার যদি দুই/তিনটি ভাষা জানা থাকে তাহলেই আপনি অনলাইন থেকে আয় করতে পারবেন।

ট্রান্সলেটর হিসেবে কাজ করতে চাইলে আপনি দুই হতে তিনটি ভাষা শিখে নিতে পারেন । প্রতি মাসে $500 হতে $700 ডলার আয় করতে পারে একজন ভাষা ট্রান্সলেটার । তাছাড়া দিন দিন ভাষা ট্রান্সলেটার এর চাহিদা বেড়েই চলছে।

১০. অনলাইনে পণ্য বিক্রয় করে টাকা আয়

যেসব পণ্য মানুষের কাছে প্রথম মনে হবে এবং আকর্ষণ সৃষ্টি করবে সেকল পণ্য অনলাইনে বিক্রি করে টাকা ইনকাম করা যেতে পারে । সোশ্যাল মিডিয়ায় বিক্রিত সকল পণ্যের ‍উপর সকলের এক ধরনের আগ্রহ দেখা যায় । কারণ যে সব পণ্য বিক্রয় করা হয়, তা সাধারনত আসে পাশে পাওয়া যায় না। এই জন্য অনলাইনে বিক্রয় ভালো হয়।

অবশ্যই আপনাকে ইউনিক পণ্য নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে যদি আপনি অনলাইনে পণ্য বিক্রয় করতে চান । কারন ইউনিক পণ্যের বিক্রয় ভালো হয়  ফলস্বরূপ ইনভেস্ট করার পর ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা  অত্যন্ত নগন্য । আপনার এলাকায় ভিন্ন ধররণর কোন পন্য থাকলে তা আপনি অনলাইনে বিক্রয় করে লাভবান হতে পারেন। আপনাকে অবশ্যই ডিজিটাল এ্যাড দিয়ে আপনার পণ্যের প্রচার করতে হবে ।

বিভিন্ন group এ পণ্যের ছবির এ্যাড দিয়ে কিছু পণ্য বিক্রয় করা যাবে , তাবে তা অনেক বেশি হবে না। আর তাই ডিজিটাল এ্যাডের ব্যবস্থা করতে হবে ।

এইগুলো পড়তে পারেনঃ-

১১. অনলাইন পোর্টফলিও তৈরি করে টাকা আয়

নিজের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে এখান থেকে আয় করতে হয় । আয় সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করবে। মিনিমাম আয়ও কাজ পাওয়ার উপরই নির্ভর করবে।

একটি অনলাইন পোর্টফলিও তৈরি করতে পারেন  কোন কাজের উপর আপনার ভালো অভিজ্ঞতা থাকলে তার উপর নির্ভর করে, এটি আপনাকে কাজ পেতে সহযোগিতা করবে। ধরেন আপনি ভালো মানের একজন কুকার , এখন আমার অনুষ্টানের জন্য একজন কুকার দরকার। আমি গুগল এ সার্চ করার পর আমি আপনার সাথে যোগাযোগ করে  কন্ট্রাক করতে পারব যদি  আপনার পোর্টফলিও ওয়েবসাইটটি পাই । আপনি আপনার একজন একজন কাস্টমার পাবেন।

অথবা আমার একজন ডিজিটাল মাকের্টার দারকার। আপনি একজন ডিজিটাল মাকের্টার আপনার একটি পোর্টফলিও থাকলে খুব সহজে আপনাকে খুঁজে পাওয়া যাবে । আর কাজের জন্য আমি আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারবো ।

১২. অনলাইন কোর্স বিক্রয়ের মাধ্যমেও অনলাইনে ইনকাম

এক্ষেত্রে আপনাকেও ডলার ইনভেস্ট করতে হবে । সর্বনিম্ন 100 হতে 300 ডলার ( সোশ্যাল মিডিয়া এড প্রকাশের জন্য খরচ হবে) ইনভেস্ট করতে হবে । অনলাইন থেকে লক্ষ টাকা পর্যন্ত  আয় করা সম্ভব একটি ভালো মানের কোর্স থেকে । অবশ্যই কোয়ালিটির দিকে নজর দিতে হবে অনলাইনে কোর্স বিক্রয় করতে চাইলে ।

আপনি জানেন কিভাবে লিখতে হয়। সুতরাং আপনার এই দক্ষতার উপর নির্ভর করে একটি ভালো মানের কোর্স তৈরি করতে পারেন। কোর্স তৈরি করা শেষে তা সোশ্যাল মিডিয়ায়, ডিজিটাল এড এর মাধ্যমে সেল করতে পারেন। চিন্তা করুন, সেই বিষয় টা অন্য কেউ জানে না  যে বিষয়টা আপনি ভালো করে জানেন সুতরাং এটা কিন্তু আপনার সুবর্ণ সুযোগ অনলাইন থেকে টাকা আয় করার জন্য ।

১৩. পরামর্শ দাতা হয়ে অনলাইনে আয়

পরামর্শ দাতা হয়েও অনলাইনে আয় করা সম্ভব। প্রতিমাসে সম্ভব্য আয় হয়ে উঠতে পারে  700 হতে 1000 ডলার। যে বিষয় পরামর্শ দিবেন তার উপর একটি অনলাইন এজেন্সিনর সাথে আপনার সম্পর্ক থাকতে হবে । বর্তমানে এর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে ,যদিও এর চাহিদা আগে ছিল না কিন্তু । ফলে এই খাতে অনলাইনে ইনকাম করার সম্ভবনা দিন ‍দিন বেড়েই যাচ্ছে ।

আপনি অনলাইন থেকে ভালো আয় করেন ,আপনি একজন ভালো মানের ফ্রিল্যান্সার । এখন আপনি একটি এজেন্সি ওপেন করলেন, যার মাধ্যমে আপনি অনলাইনে আয় বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকেন । আর তার বিনিময়ে আপনি কিছু টাকা নিয়ে থাকেন। আর একটি উদাহরণ দেওয়া যাক, ধরুন ভালো ফিটনেস ট্রেইনার  আপনি একজন, কি ভাবে নিজের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে হবে আপনি তা ভালো ভাবে জানেন । এখন আপনি এজেন্সির মাধ্যমে অন্যকে ফিটনেস বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকেন এবং বিনিময়ে কিছু টাকা চার্জ নিতে‘ পারেন।

১৪. পডকাস্ট থেকে আনলাইনে আয়

একটি অনলাইন এজেন্সি ওপেন করতে হবে উপরের প্রতিটি কাজের জন্য আপনাকে অবশ্যই । নিদিষ্ট কোন সময় নেই নিদিষ্ট কোন সময় নেই পডকাস্ট এর মাধ্যমে আয়ের ক্ষেত্রে ।

পডকাস্ট থেকে প্রতিমাসে মিনিমাম আয় 100 থেকে 80 ডলার পর্যন্ত হতে পারে। পডকাস্ট হচ্ছে অনলাইন থেকে আয় করার ভিন্ন একটি মাধ্যম । ইউটিউব থেকে আয় করার মত পডকাস্টের বিষয়টা । আপনি খুব সুন্দর করে যে কোন বিষয় উপস্থাপণ করতে পারেন এবং আপনি কথা বলতে ভালো বাসেন । তাহলে আয় করার জন্য পডকাস্ট আপনার জন্য একটি ভালো মাধ্যম ।

আর একটু ক্লিয়ার হওয়া যাক, ধরুন আপনি একটি সিরিজ তৈরি করলেন এবং সেই সিরিজ গুলো প্রকাশ করলেন একটি পডকাস্ট মিড়িয়ার মাধ্যমে ।

প্রশ্ন হচ্ছে আপনি কি ভাবে টাকা আয় করতে পারবেন। পডকাস্ট মিড়িয়ায় যখন আপনি আপনার সিরিজ প্রকাশ করবেন তখন মানুষ তা দেখবে সেই সাথে ডাউনলোড করবে । ফলে আপনি টাকা পাবেন। বেশি মানুষ আপনার পডকাস্ট দেখলে আপনার বেশি আয় হবে । অবশ্যই আনন্দদায়ক  ইউনিক কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে।
Spotify (বাংলাদেশে সাপোর্ট করে না)

১৫. এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলাইন থেকে টাকা আয়


কমিশন পাওয়ার মাধ্যমে আয় করা  অর্থৎ অনলাইনে  অন্যের প্রোডাক্ট বিক্রি করে কমিশন পাওয়ার মাধ্যমে যে আয় করা হয় তাকে এফিলিয়েট মার্কেটিং বলে। একটি উদাহরন দিয়ে বিষয়টি ক্লিয়ার করে ও আরও সুন্দর করে বুঝিয়ে দিচ্ছি।

ধরুন আমার একটি পাঞ্জাবির বিসনেস আছে ,এখন আমি আপনাকে  যদি বলি আমার পাঞ্জাবি বিক্রি করে দেন ,আমি আপনাকে প্রতিটি পাঞ্জাবিতে ১০% কমিশন দেব। তাহলে সেই কমিশনটাই হল এফিলিয়েট মার্কেটিং।  আপনি যত বেশি বিক্রি করতে পারবেন ততো বেশি অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন । এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করতে পারবেন যদি আপনার ইচ্ছা শক্তি থাকে ।

একটি কোম্পানির প্রোডাক্ট নিজের হাতে পাবেন না বা  সেল করতে পারবেন না । কোম্পানী আপনাকে দিবে প্রোডাক্টের একটি নির্দিষ্ট লিংক। এই লিংক বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়া বা অনলাইনে যেখানে মানুষ আছে যারা এই লিংক সম্পর্কিত জিনিস ক্রয় করতে পারে এরকম জায়গায় আপনি লিংকটি শেয়ার করবেন।আর আপনার শেয়ার করা লিংক থেকে যদি কেউ পণ্য কিনে তাহলেই আপনি আপনার নির্দিষ্ট কমিশন পাবেন ।  যত বেশী মানুষ আপনার লিংক থেকে পণ্য কিনবে আপনি তত বেশি কমিশন পাবেন । বুঝতে পেরেছেন আশা করি ।

কিছু জনপ্রিয় ও পরিচিত এফিলিয়েট প্লাটর্ফম

  1. Amazon Associates.
    • eBay Partners.
    • Shopify Affiliate Program.
    • Click-bank.
    • Awin
    • ShareAsale
    • CJ Affiliate
    • Rakuten Affiliate Network
    • AvanGate ( 2Checkout )
    • LinkConnector
    • RevenueWire

১৬. গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে অনলাইনে ইনকাম

গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখেও ঘরে বসে ইন্টারনেট থেকে টাকা ইনকাম করা যায়। আপনি আপনার করা ডিজাইন গুলা রেখে দিবেন অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে সেখান থেকে আপনার ডিজাইনগুলা বিক্রি হতে থাকবে । আর আপনি ঘরে বসে শুধু টাকা গুনবেন! আসলেই ব্যাপারটা অনেক মজার।

গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে হলে প্রথেমত আপনার ভালো মানের একটা কম্পিউটার /ল্যাপটপ লাগবে সেই সাথে ধৈর্য্য ও কঠোর পরিশ্রম করা লাগবে । প্রাথমিক অবস্থায় এডোবি ফটোশপ এবং ইলিস্ট্রটর দিয়ে শুরু করতে পারেন গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ । গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে যেসব সাইট থেকে অনলাইনে ইনকাম করা যাবেঃ আপওয়ার্ক, ফাইবার, টপটাল, ফ্রিলান্সার, নাইন্টিনাইন ডিজাইন, পিপুল পারওয়ার, গুরু

গ্রাফিক্স ডিজাইনে মূলত যেসব কাজ করা হয় সেগুলো হলঃ


১। ফটো ইডিটিং
২। ব্যানার ডিজাইন
৩। লগো ডিজাইন
৪। কভার ডিজাইন
৫। পোষ্টার ডিজাইন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কাজের ক্লায়েন্ট খুঁজে পেতে পারেন এমন অনেক সাইট আছে । আপনি আপনার ডিজাইন রেখে বিক্রি করতে পারবেন যেসব সাইটেঃ

১। stocksnap.io
২। pexels.com
৩। landingstock.com

১৭. ওয়েব ডিজাইনার হয়ে অনলাইনে ইনকাম

বর্তমান সময়ে ওয়েব ডিজাইনার ও ডেভেলাপারের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে ব্যাপক হারে । আর এসব বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের জন্য করতে হবে কোর্স । কারণ কোর্স ছাড়া শুধু মুখের কথায় ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট শিখা সম্ভব নয় । আর একবার যদি কোর্সটা আয়ত্ব করতে পারেন তাহলে টাকা আয়ের পথ অত্যন্ত সুগম হয়ে দাঁড়াবে ।

যে হারে মানুষ সবাই এখন অনলাইনমুখি হয়েছে বলাবাহুল্য।  সব কিছুই এখন অনলাইন বেইস হয়ে যাচ্ছে, আর এখন অনলাইন মানেই ওয়েব পেজ। আপনি অনলাইনে যা কিছু দেখেন সবই ওয়েব পেজ। কতগুলি ওয়েব পেজ একত্র হয়েই হয় একটা ওয়েবসাইট তৈরি হয় ।

ওয়েব ডিজাইনার/ডেভেলপারদের চাহিদা যত বেশী তাদের ডিমান্ডও ততো বেশী। আপনার হাতে যদি ২ বছর শেখার সময় থাকে তাহলেই আপনি ওয়েব ডিজাইন/ডেভেলপমেন্ট শেখার জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন নয়তো এই সেক্টরে ভালো কিছু শিখতে পারবেন না।

১৮. এন্ড্রয়েড এপস থেকে ইনকাম

একটি ব্লগের মত এন্ড্রয়েড এপস দিয়ে অনেক ভালোমানের টাকা ইনকাম করা যায়। এ ক্ষেত্রে আপনার নিজেস্ব একটি এন্ড্রয়েড এপস থাকতে হবে এবং সেটি গুগল প্লে-স্টোরে থাকতে হবে। আপনার এন্ড্রয়েড এপটি যদি প্রচুর পরিমানে লোকজন ব্যবহার করে তাহলে আপনি এপস মনিটাইজ করে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন। 
সাধারণত আপনি দেখে থাকেন যে, আমাদের মোবাইলে যখন ইন্টারনেট কানেকশন অন থাকে তখন কোন এপস চালু করার সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন শো হতে থাকে। এই বিজ্ঞাপন থেকে মূলত একজন এপস এর মালিক অনলাইনে ইনকাম করে থাকে। আপনার ভালোমানের কোন এন্ড্রয়েড এপস থাকলে গুগল AdMob এর জন্য আবেদন করতে পারেন। গুগল আপনার এডমুভ একাউন্ট অনুমোদন করলে তখন আপনি আপনার এন্ড্রয়েড এপস এর মধ্যে গুগল এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করতে পারবেন। সেই বিজ্ঞাপন যত বেশি মানুষ দেখবে আপনার ইনকাম তত বেশি বৃদ্ধি পাবে।

১৯. ই-কর্মাস সাইট বানিয়ে অনলাইন থেকে ইনকাম

ই-কর্মাস সাইট মানে হলো একটি অনলাইন দোকান। মুদি দোকানে যেমন বিভিন্ন আইটেম সাজানো গোছানো থাকে লোকজন দোকনে আসে ক্রয় বিক্রয় হয় । ঠিক তেমনি অনলাইনে এরকম দোকান কে বলে ই-কর্মাস সাইট । এটি শুরু করতে হলে প্রথমত একটি ওয়েবসাইট প্রয়োজন।  যেখানে আপনি আপনার পন্যগুলি  মুদি দোকানের মত করে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখবেন । ভিজিটর বা ক্রেতা আপনার ওয়েবসাইটে আসবে । পন্য দেখবে এবং অর্ডার করবে।

প্রথম অবস্থায় আপনি একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যেমে একটি ই-কার্মাস বিসনেস শুরু করতে পারেন। এবং সেটা আপনি মোবাইল দিয়েও করতে পারবেন। প্রোডাক্ট রিলেটেড একটি নাম দিয়ে ফেসবুক পেজ খুলবেন  আপনি যে প্রোডাক্ট নিয়ে বিসনেস করতে চান সেই । সেখানে আপনার প্রোডাক্টোর ছবি ও দাম সহ বিস্তারিত লিখে রাখতে হবে । আপনার  পেজেটিতে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন জায়গায় শেয়ার করবেন । পেজে ভিজিটর বাড়লে আপনার বিক্রিও বাড়বে । অনলাইনে যখন আপনি একটি ই-কর্মাস সাইট বানাবেন , তখন আপনার সাইট প্রচার করতে হবে ভিজিটরদের কাছে । আর যখন আপনার সাইটে ভিজিটর আসবে , আপনার পণ্য ক্রয় করবে তখন আপনার ইনকাম হবে।

অনলাইনে ইনকাম করার উপায়
ই-কর্মাস সাইট বানিয়ে অনলাইন থেকে ইনকাম

আপনাকে কিছু ট্রিক্স অবলম্বন করতে হবে ই-কমার্স সাইট থেকে যদি সফলতা পেতে চান । অনলাইনে সচরাচর পাওয়া যায় না এমনসব পন্য গুলো নিয়ে কাজ করুন । ভাল মানের পন্য পৌঁছে দিন মানুষের কাছে , প্রতিদ্বন্দ্বী মার্কেটের তুলনায় কিছুটা কম মূল্যে। এতে করে অনেক সহজ হয়ে উঠবে ই-কমার্স সাইট থেকে ইনকাম করাটা । আপনাকে শুধু  ধর্য্য নিয়ে  এগিয়ে যেতে হবে।

২০. ড্রপশিপিং করে অনলাইনে ইনকাম

ড্রপশিপিং অনলাইন ব্যবসার অন্তর্গত একটি কাজ যার মাধ্যমে খুব সহজেই অনেক টাকা ইনকাম করা সম্ভব। চলুন প্রথমেই জেনে নেই ড্রপশিপিং আসলে কি। এটা উদাহরন দিয়ে বুঝালে আপনি খুব সহজেই বুঝে যাবেন। মনে করেন, আপনার এলাকায় পরিচিত একজন কোনো একটা পন্য তৈরি করে সেটা বাজারে ৫০০ টাকায় বিক্রি করে। আপনি খোঁজ নিয়ে দেখলেন যে এই পন্যটিই শহরে বড় বড় মার্কেটে অথবা কোনো ই-কমার্স সাইটে ১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এরকম কিন্তু সচরাচর আমাদের দেশে সবসময় হয়েই চলেছে। কোনো একটা সবজি কৃষকদের থেকে ৫ টাকা কেজি মূলে কিনে বড় বড় বাজারে ওইগুলো ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তো এক্ষেত্রে আপনি নিজেই বড় একটি ই-কমার্স (E-Commerce) সাইটে প্রোফাইল খুলে ওই পন্যটি বিক্রি করতে পারেন। আপনি আপনার এলাকার যে উৎপাদনকারী আছে তার কাছে থেকে পন্য টা ৫০০ টাকায় কিনে সেটি আপনার প্রোফাইলে ১৪০০ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন। এতে একটি পন্যেই ৯০০ টাকা লাভ করতে পারছেন।  অথবা আপনি যদি ১২০০ টাকায় বিক্রি করেন তাতেও আপনার ৭০০ টাকা লাভ থেকে যাচ্ছে। এটিই মুলত ড্রপশিপিং। আপনার এলাকায় যদি এরকম কোনো সুযোগ থেকে থাকে আপনার অবশ্যই উচিৎ সুযোগটি কাজে লাগানো।

এইগুলো পড়তে পারেনঃ-

অনলাইনে ইনকাম ও বিকাশে পেমেন্ট কিভাবে

একটা বিষয় সর্ম্পকে আপনাদের পরিষ্কার ধারনা থাকা উচিত। অনলাইনে ইনকাম করে বিকাশে টাকা আনার ব্যাপারে আপনাদের অনেকেরই মনে একটি প্রশ্ন আসে যে অনলাইনে আয়কৃত টাকা কি সরাসরি বিকাশে আনার কোনো উপায় আছে? একদম সহজ করে যদি এক কথায় এটির উত্তর দিতে চাই তাহলে এটির উত্তর হবে ’না ‘। আপনি অনলাইনে আয় করা টাকা সরাসরি আপনাকে বিকাশে আনতে পারবেন না। 

তবে এখানে কিছু বিষয় রয়েছে। আপনি কোন সাইট থেকে আয় করছেন, সাইটটি কি বাংলাদেশী কোনো এডমিন দ্বারা পরিচালিত কি না কিংবা তারা বিকাশ পেমেন্ট সার্পোট করে কি না ইত্যাদি বিষয়গুলোও এখানে খুব মুখ্য ভূমিকা পালন করে।  এমন অনেক অনলাইন ইনকাম সাইট রয়েছে যেখানে তারা সরাসরি বিকাশে ক্যাশ উইথড্র করার সুযোগ দিয়ে থাকে। সে ধরনের কোনো ওয়েবসাইটে যদি আপনি কাজ করে থাকেন এবং সাইটটি যদি রিয়েল হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনি বিকাশে পেমেন্ট নিতে পারবেন। 

এছাড়াও আপনি যদি কোনো বাহিরের দেশের কোনো ওয়েবসাইটে কাজ করে থাকেন যারা মূলত বিকাশে পেমেন্ট করে না বরং অন্য কোনো পেমেন্ট গেটওয়েতে পেমেন্ট করে তাকে সেক্ষেত্রে আপনি কোনো থার্ড পার্টি ব্যবহার করে পেমেন্টটি রিসিভ করতে পারেন। 

অনলাইন ইনকাম মোবাইল দিয়ে

বিকাশের মতো অনেকেরই মনে একটি প্রশ্ন থাকে যে মোবাইল দিয়ে অনলাইনে ইনকাম করা যায় কি না। সত্যি কথা বলতে বিকাশের মতোই একদম সহজ করে এক কথায় যদি উত্তর দিতে হয় তাহলে বলবো ‘না’। আপনি মোবাইল দিয়ে অনলাইন থেকে আয় করতে পারবেন না।  উপরে অনলাইন থেকে আয়ের যে বিষয়গুলো সর্ম্পকে আমরা আলোচনা করেছি সেই কাজগুলি করতে গেলে কিন্তু একটি মোবাইলের থেকে একটি কম্পিউটার হলেই আপনার জন্য বেশি ভালো হবে। 

আমি বলছি না যে মোবাইল দিয়ে অনলাইন থেকে একদমই আয় করা যাবে না। অনেক বড় বড় ইউটিউবার রয়েছেন যারা শুধুমাত্র মোবাইল দিয়ে ভিডিও করেই আজকে অনেক লাখ লাখ সাবস্ক্রাইবার ও ভিউস পেয়েছেন। এমনও অনেকে রয়েছেন যারা শুধুমাত্র একটি মোবাইল দিয়েই ফেসবুক একটি পেজ পরিচালনার মাধ্যমে তাদের অনলাইন ব্যবসা দিনকে দিন বড় করেই তুলছেন। 

কিন্তু সত্যি কথা বলতে আপনি যদি সত্যিকার অর্থেই অনলাইন থেকে ভালো আয় করতে চান তাহলে কিন্তু আপনার অবশ্যই একটি ভালো মানের কম্পিউটারের প্রয়োজন পড়বে। নতুবা আপনার পক্ষে প্রফেশনালভাবে অনলাইনে কাজ করাটা অনেকটাই কষ্টকর হয়ে যাবে। 

এইগুলো পড়তে পারেনঃ-

অনলাইনে ইনকাম মোবাইল দিয়ে ২০২১

অনলাইনে ইনকাম নিয়ে জিজ্ঞাসা

অনলাইনে ইনকাম করার জন্য বর্তমানে যত জনপ্রিয় ও নির্ভরযোগ্য উপায় আছে তার সবগুলো পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। আপনার যদি ধৈর্য্য ও ইচ্ছা শক্তি থাকে তাহলে আমাদের দেওয়া নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করে অল্পদিনে অনলাইনে ইনকাম করতে সক্ষম হবেন।
আসলে অনলাইনে ইনকাম করা ১/২ মাসে সম্ভব হয় না। আপনি যদি প্রকৃতপক্ষে অনলাইনে ইনকাম করতে চান তাহলে আপনাকে কমপক্ষে ৬ মাস মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে হবে। কেউ যদি ৬ মাস নিয়মিত কাজ করে তাহলে ৬ মাস পর অবশ্যই প্রতি মাসে ৪০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবে।

Previous articleআলেশা কার্ড কি? আলেশা কার্ড কিভাবে পাবো বিস্তারিত
Next articleআলিবাবা থেকে পণ্য আমদানি করে বাংলাদেশে ব্যবসা করার উপায়

1 COMMENT

  1. ধন্যবাদ, অনলাইনে ইনকাম বিষয়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here