ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়? ১০০০ ভিউতে কত টাকা?

ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায় বা আপনি ব্লগিং করে মাসে কত টাকা উপার্জন করতে পারেন? ব্লগিং করে টাকা আয় হয় কিংবা ১০০০ ভিউতে কত টাকা আয় হয় এই বিষয়ে আমরা আজকে বিস্তারিত জানবো। বাংলা ব্লগ থেকে কি রকম উপার্জন হয় এবং উপার্জন করা যায় তা আমার সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা থেকে বলব।

আরও পড়ুনঃ ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায় ২০২২

ব্লগিং করে আপনি মাসে প্রায় ৩০,০০০ হাজার থেকে ৫০,০০০ টাকা আয় করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে দৈনিক ২-৪ ঘণ্টা সময় দিতে হবে। আমি যদি নিজের কথা বলি, এই ওয়েবসাইটের জন্য আমি সপ্তাহে ৩টি ব্লগ পোস্ট করে ১ বছরে এখন পর্যন্ত ১২০টি পোস্ট আপলোড করি। এখন আমার প্রায় মাসে ১০০০০-১২০০০ টাকা ব্লগিং করে আয় করি। আপনি যদি আরও বেশি সময় দেন তাহলে আপনি আরও বেশি ব্লগিং করে টাকা আয় করতে পারেন।

ব্লগিং কি?

একেবারে সহজ ভাষায় বলতে গেলে আপনার যদি কোন একটি নির্দিষ্ট টপিকের উপর খুব বেশি পরিমাণে জ্ঞান থাকে এবং মানুষকে শেখানোর মতো অভিজ্ঞতা থাকে, তাহলে আপনি এটি অন্যের মাঝে বিলিয়ে দিতে পারেন। এই বিলিয়ে দেয়া আপনি যদি অনলাইন ছাড়া অফলাইনে লেখালেখির মাধ্যমে সম্পন্ন করতে চান, তাহলে আপনি চাইলে বই লিখতে পারেন এবং আপনার বই মানুষ পড়তে পারে।

এক্ষেত্রে আপনি যদি একটি সফল বই লিখতে পারেন, তাহলে এই বই যখন পাবলিশ করবেন তখন কেউ এটি কিনে নিলে আপনি এখান থেকে কমিশন পাবেন।ঠিক একই রকমভাবে আপনি যদি এই লেখালেখি অনলাইনের মাধ্যমে করতে চান, তাহলে আপনি চাইলে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন এবং লেখালেখি মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারেন।

ছোট একটি ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট তৈরি করার মাধ্যমে আপনি যদি আপনার জ্ঞান অন্যদের মাঝে প্রকাশ করার ইচ্ছা পোষণ করেন, তাহলে সেটি হবে ব্লগিং। এছাড়াও ব্লগিং এর আরো অনেক আকর্ষণীয় সংজ্ঞা রয়েছে, তবে একদম সহজ ভাবে আপনি যদি বুঝে নিতে চান, তাহলে উপরের সংজ্ঞাটি পড়লেই আপনি এই সম্পর্কে বুঝতে পারেন।

ব্লগিং করে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?

আপনি যেভাবে বই লেখার মাধ্যমে আপনার পরিশ্রম সার্থক করতে পারেন; ঠিক একই রকমভাবে আপনি যদি ব্লগ লিখেন, তাহলে আপনি আপনার পরিশ্রম সার্থক করতে পারবেন। অর্থাৎ এক কথায় বলতে গেলে, আপনি অবশ্যই ব্লগিং করার মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারেন।

তবে টাকা আয় করার জন্য আপনাকে অবশ্যই কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে এবং সেই বিষয় গুলোর মধ্যে থেকে কয়েকটি নিচে মেনশন করা হলো। এক্ষেত্রে আপনার লেখালেখির মাধ্যমে অর্থাৎ ব্লগিং করার মাধ্যমে আপনি যদি টাকা আয় করতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই ইউনিক কন্টেন্ট পাবলিশ করতে হবে।

যে সমস্ত কনটেন্ট আপনি পাবলিশ করবেন সেই সমস্ত কনটেন্ট অবশ্যই তথ্যবহুল হতে হবে এবং এরকম কনটেন্ট পাবলিশ করতে হবে, যা পড়ে কেউ কিছু শিখতে পারে। এছাড়াও আরও অনেক হাবিজাবি বিষয় রয়েছে, যে সমস্ত বিষয় সম্পন্ন করার মাধ্যমে আপনি ব্লগিং করার মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন।

তবে ব্লগিং থেকে টাকা আয় করার প্রধান এবং অন্যতম একটি শর্ত হলো, আপনাকে অবশ্যই ইউনিক আর্টিকেল পাবলিশ করতে হবে। যাতে করে আর্টিকেল থেকে কেউ কিছু শিখতে পারে। আর যখনই আপনি কন্টিনিউয়াসলি ভালো ভালো আর্টিকেল পাবলিশ করবেন, তখন আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর আসা শুরু হবে এবং এই ভিজিটর থেকে আপনি বিভিন্ন উপায়ে আয় করতে পারবেন।

ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়?

এবার এই আর্টিকেলের যে মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়। সেই মূল প্রতিপাদ্য বিষয় সম্পর্কে কিছু আলোচনা করা যাক। অর্থাৎ আপনি যদি ব্লগিং থেকে টাকা আয় করতে চান, তাহলে আপনি কত টাকা আয় করতে পারবেন এবং আপনার আয় করার লিমিটেশন কি পরিবর্তন হতে পারে?

এখানে একটি বিষয় অবশ্যই উল্লেখ করা দরকার সেটি হল, ব্লগিং থেকে সবাই একই পরিমানে টাকা কখনোই আয় করতে পারবে না। অর্থাৎ আপনি যদি ব্লগিং করেন, তাহলে আপনি ব্লগিং থেকে একচুয়ালি কত টাকা আয় করতে পারবেন, সেই টাকার এমাউন্ট এভাবে বর্ণনা করা প্রায় অসম্ভব।

তবে আপনি যদি বেশি পরিমাণে পরিশ্রম করেন এবং ভালো ইউনিক কন্টেন্ট পাবলিশ করতে সক্ষম হন, তাহলে আপনি ব্লগিং করার মাধ্যমে বেশ কিছু টাকা আয় করতে পারবেন। এই টাকার এমাউন্ট, আপনার পরিশ্রম এবং অন্যান্য বিষয়ের উপর নির্ভর করবে।

আরও পড়ুনঃ লেখালেখি করে আয় করার ওয়েবসাইট পেমেন্ট বিকাশে

তবে একেবারে সহজ ভাবে যদি বলা হয় তাহলে এটা বলতে হবে, আপনি ব্লগিং করলে যদি আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর প্রতিদিন কমপক্ষে দুই হাজার আনতে পারেন। তাহলে আপনি মাসে সে কম করে হলেও ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটের আর্টিকেল ইউনিক হতে হবে এবং ভালো কোয়ালিটির হতে হবে।

মূলত আপনি যদি মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় করতে চান, তাহলে অন্যান্য যে সমস্ত প্রসেস রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে থেকে গুগল এডসেন্স বেছে নিতে হবে। অর্থাৎ ভালো ইউনিক আর্টিকেল পাবলিশ করার মাধ্যমে আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটে গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল নিয়ে নিতে পারেন, তাহলে এই এডসেন্সের মাধ্যমে আয় করতে পারবেন।

আপনার ওয়েবসাইটে কত বেশি পরিমাণে টাকা করতে পারবেন সেটি নির্ভর করবে, আপনার ওয়েবসাইটের কোয়ালিটি কনটেন্ট এবং ভিজিটরের উপর। অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর যত বেশি থাকবে আপনার আয় করার পরিমাণ ঠিক তত বেশি থাকবে।

শুধুমাত্র আপনি যে গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয় করতে পারবেন এরকম তা কিন্তু নয়, আপনি যদি কোয়ালিটি ট্রাফিক আনতে পারেন, তাহলে গুগল এডসেন্স এর বিকল্প উপায়ে আরো আয় করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনি চাইলে এফিলিয়েট মার্কেটিং করার মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন কিংবা আরো অনেক রকমের  মার্কেটিং রয়েছে সে সমস্ত মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর এবং কোয়ালিটি কনটেন্ট যত বেশি বৃদ্ধি পাবে, আপনার ওয়েবসাইট থেকে আয় করার পরিমাণ ঠিক তত বেশি বৃদ্ধি পাবে।

বাংলা ব্লগ থেকে ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়? 

এখন বলব, বাংলায় ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়? বাংলা ব্লগ সাইটে মূলত বেশি উপার্জন হয়না। যেমনটা ইংরেজি ব্লগ সাইটে হয়। কারণ বাংলা ব্লগ সাইটের ভিজিটর মূলত বাংলাদেশি অথবা পশ্চিম ভারতীয় কলকাতার কিছু। 

বাংলাদেশি অডিয়েন্সকে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে এত বেশি উপার্জন হয় না। কারণ বাংলাদেশে এখনো ইন্টারনেটে অতটা উন্নতি লাভ করেনি। যেমনটা ওয়েস্টার্ন দেশগুলোতে উন্নতি হয়েছে। যেমন একজন আমেরিকান কেউ একটি এডে ক্লিক করলে যত বেশি উপার্জন দিবে। বাংলাদেশের কোনো ভিজিটর এডে ক্লিক করলে তার থেকে 10 গুণ কম উপার্জন দিবে। 

আমার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, আমাদের এই ওয়েবসাইট থেকে আমি প্রতিদিন গড়ে  0.11 ডলার করে সিপিসি পাই। বিভিন্ন নিশের উপর ব্লগ লেখালেখি করি। চাইলে আপনি মাল্টিপল নিশ নিয়ে লেখালেখি করতে পারেন। তাতে লেখা টপিকস এর কোন অভাব হয়না। এমন না যে, মাল্টিপল নিশে গুগল এডসেন্স মনিটাইজেশন দেয় না। বরং এতে কোনো সমস্যা হয় না। ব্লগে কিভাবে এড শো করাবে তা কন্টেন্টের কিওয়ার্ড ও অর্গানিক ট্রাফিকের ধরনের ওপর নির্ভর করে। 

আরো পড়ুন: বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করার সম্পূর্ণ গাইডলাইন

আমি প্রায় 10 থেকে 15 টাকা পর্যন্ত সিপিসি পাই। মানে প্রতিটি এডে ক্লিক করলে আমাকে গড়ে বাংলাদেশের 12 টাকা দেয়। মাঝে মাঝে হঠাৎ করে সিপিসি বেড়ে যায়। কারন  মাঝে মাঝে যদি আপনি এমেরিকান ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারেন তাহলেই হবে। সেখানে আমাকে 160 টাকা এডে ক্লিক করায় দিয়ে দেয়। যেখানে একজন এমেরিকান ভিজিটর ক্লিক করেছিল। পরবর্তীতে কিছু বাংলাদেশেরও ক্লিক পড়ে। যার কারণে গড়ে 70 থেকে 80 টাকা সিপিসি হয়।

আপনি যদি আপনার আর্টিকেল গুগল সার্চ ইঞ্জিনের জন্য অপটিমাইজ করেন। তাহলে দেখবেন শুধুমাত্র বাংলাদেশ ট্রাফিক না, ভারত, নেদারল্যান্ড, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এমনকি আমেরিকান ট্রাফিকও আসবে। যতবেশি কিবোর্ড নিয়ে ভালো ভালো পোস্ট করবেন তত ট্রাফিক বাড়বে।

আপনার ওয়েবসাইটে যদি 200 এর অধিক পোস্ট আপলোড হয় সবশেষে। তবে সেখান থেকে খুব দ্রুত কিছু পোস্ট র‍্যাংক করা শুরু করবে। আপনার ডোমেইন অথরিটি বেড়ে যাবে। এবং ব্যাপক উপার্জন হবে। কারণ হচ্ছে সেখান থেকে ট্রাফিক ও ভিউজ আসবে। মাত্র 400-450 ভিজিটরে আমার দৈনিক উপার্জন হয় প্রায় 5 ডলার। মানে হলো এটা একদম কম না। কারণ আমি এখনও এত বেশি ট্রাফিক জেনারেট করতে পারিনি। এটা আর্টিকেলটি পোস্ট করার পূর্ব পর্যন্ত তথ্য।

একটা বিষয় বলে রাখা ভালো, আমার দৈনিক পেজ ভিঊ হয় 600 এর মত। 400 ভিজিটর নিয়ে যদি দৈনিক 4 ডলারের উপরে উপার্জন হয়। তবে আপনি যদি, 1000 ভিজিটর করতে পারেন। মানে হচ্ছে আরও ব্লগ লেখালেখি করে 1000 ভিজিটর ডেইল আননতে পারেন। তবে সেখান থেকে আপনি ডেইলি 10 ডলার উপার্জন করা কোন ব্যাপার না। যদি ভাল সিপিসি পড়ে এবং ক্লিক আসে তবে সেখান থেকে দৈনিক 40-50 ডলারও উপার্জন করা যাবে।

ব্লগিং থেকে টাকা আয় করার কিছু সিক্রেট

ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায় সেটা সম্পূর্ণ আপনার উপর নিরভর করে। আপনি যদি ব্লগিং থেকে বেশি পরিমাণে টাকা আয় করতে চান তাহলে আপনাকে কিছু সিক্রেট পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। আর এই সমস্ত পদ্ধতিগুলোর মধ্যে থেকে সবচেয়ে কার্যকরী কয়েকটি পদ্ধতি নিচে উল্লেখ করা হলোঃ

  • আপনাকে অবশ্যই ব্লগিং এ রেগুলার হতে হবে।
  • প্রতিদিন কম করে হলেও একটি আর্টিকেল পাবলিশ করতে হবে।
  • আর্টিকেল পাবলিশ করার পূর্বে অবশ্যই কিওয়ার্ড রিসার্চ করে নিবেন।
  • কিওয়ার্ড রিসার্চ করার ক্ষেত্রে যে সমস্ত কিওয়ার্ড সিপিসি (Cost Per Click) ভ্যালু কিছুটা বেশি সে সমস্ত কিওয়ার্ড নিয়ে লিখবেন।
  • কারণ আপনারা আর্টিকেলের সিপিসি যদি বেশি হয়, তাহলে আপনি অ্যাডসেন্স থেকে প্রতি ক্লিকের জন্য বেশি পরিমাণে টাকা আয় করতে পারবেন।
  • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর দিকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন।
  • কনটেন্ট তৈরি করবেন ভিজিটরের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আয় করার জন্য নয়।
  • আপনাকে এরকম কনটেন্ট তৈরি করতে হবে, যে সমস্ত কনটেন্ট পড়ার পরে যে কেউ বুঝতে পারে যে পরবর্তীতে তার কিরকম স্টেপ ফলো করতে হবে।
  • যে টপিক নিয়ে লেখার চেষ্টা করবেন সেই টপিক দিয়ে একটি আর্টিকেল এর মধ্যে সমস্ত বিষয় কভার করার চেষ্টা করবেন।

উপরে মেনশন কিছু কিছু স্টেপ ফলো করা ছাড়াও আপনি আরও বিভিন্ন উপায়ে ফলো করতে পারেন ব্লগিং ক্যারিয়ার স্বার্থক করার জন্য।

ব্লগিং থেকে কত টাকা আয় করা যায়? বা আপনি কত পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন সেটি ইম্প্রুভ করতে হলে আপনাকে অবশ্যই কোয়ালিটিফুল থাকতে হবে। ব্লগিং থেকে কত টাকা আয় করা যায় সেই সম্পর্কে আশা করি, আপনি বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পেরেছেন।

ব্লগিং থেকে আয় শুরু হতে কত দিন সময় লাগে

ব্লগিং শুরু করার আগে পরিকল্পনা করা জরুরি। সঠিক পরিকল্পনা ছারা ব্লগিং সেক্টরে সফল হওয়া অসম্ভব। ব্লগ শুরু করার প্রথম কাজ হচ্ছে বিষয় নির্বাচন করা। আপনি যে বিষয় নিয়ে ব্লগ তৈরি করবেন তা বাছাই করতে হবে। আপনি হয়তো ভাবছেন যে কোন বিষয় ব্লগিং শুরু করা যায়। আপনি যখন প্রফেশনাল ব্লগিং শুরু করবেন তখন সটিক ভাবে বিষয় নির্বাচন করতে হবে।

ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায় তা জানার আগে আপনাকে আরও কিছু বিষয় জানতে হবে। আপনাকে এমন একটি বিষয় নির্বাচন করতে হবে যার কম্পিটিশন কম কিন্তু সার্চ ভেলু ভালো। ব্লগ বিষয় বাছাই করা শেষে ব্লগ ডিজাইন নিয়ে চিন্তা করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রফেশনাল ব্লগ গুলোকে ফলো করতে পারেন।

ব্লগ ডিজাইন করা শেষ হলে, অনপেজ এসইও রিলেটেড বিষয় গুলোর কাজ করতে হবে। যেমন কিওয়াড রিসার্স, কম্পিটিশন রিসার্স, গুগল এনালাইটিক, Google Search Console ইত্যাদি বিষয় গুলো সেটাপ শেষ করতে হবে।

ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়
ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে ইনকাম করার সহজ ২০টি উপায়

ব্লগ কন্টেন্ট লিখতে হবে। এই লেখার কাজে আপনাকে সময় লাগবে বেশি। ব্লগের প্রতিটি কন্টেন্ট অবশ্যই ইউনিক এবং অনপেজ এসইও ফ্রেন্ডলি হতে হবে। কন্টেন্ট কোয়ালিটির ক্ষেত্রে কোন ধরনের কম্প্রমাইজেশন করা যাবে না। সব কিছু সময় নির্ধারন করলে সময় লাগবে মিনিমাম ২ থেকে ৩ মাস। ২ থেকে ৩ মাস পরে আয় শুরু হতে মোট সময় লাগবে ৫ থেকে ৬ মাস।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

1 × four =

Back to top button