৩২ বছর বয়সে ৩য় বিবাহ বিচ্ছেদ শ্রাবন্তীর

৩২ বছর বয়সে ৩য় বিবাহ বিচ্ছেদ শ্রাবন্তীর

খুব অল্প বয়সেই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে পথচলা শুরু হয় শ্রাবন্তীর। তার দ্বিতীয় সিনেমা চ্যাম্পিয়ন। চ্যাম্পিয়ন সিনেমাতে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন এই জনপ্রিয় অভিনেত্রি। দর্শক ছাড়াও আরো একজনের মনকে জয় করেছিলেন তার রূপ ও গুনে। তিনি হলেন চ্যাম্পিয়ন সিনেমার পরিচালক রাজীব কুমার বিশ্বাস।

টালিউডের অন্যতম পরিচালক রাজীব মাত্র অল্প কয়েক দিনের আলাপেই একে অপরের খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন তারা। সচরাচর জানা যায় চ্যাম্পিয়ন সিনেমার সেটেই তাদের প্রেম আলাপ শুরু হয়। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই এই পরিচালক রাজীবের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

শ্রাবন্তী ও রাজীব তাদের ছেলে অভিমুন্য ওরফে ঝিনুক নামে পরিচিত। প্রথমদিকে সব ঠিক থাকলেও ধীরে ধীরে এই সম্পর্ক তিক্ততায় পরিণত হয়। অল্প সময়েই রাজীব কুমার বিশ্বাসের সাথে শ্রাবন্তীর বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে । এই বিষয়ে শ্রাবন্তী রাজিবের উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচারের অভিযোগ উঠান। রাজিব মদ্যপান করে সে কেবল শ্রাবন্তীকে নয় তাদের ছেলে অভিমুন্য উপর হাত তুলত ।

রাজীবের সঙ্গে বিচ্ছেদ কাটতে না কাটতেই ২০১৭ সালে শ্রাবন্তী চুপিচুপি বিয়ে করে ফেলেন কৃষাণ ব্রজকে। কিন্তু কৃষাণ ব্রজের  সঙ্গেও এ সম্পর্কে চিড় ধরতে বেশি সময় নেয়নি । ডিভোর্স ফাইল করতেও তিনি বেশি সময় নেয়নি। সকলকে তাক লাগিয়ে কয়েক মাসের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। এ নিয়ে গণমাধ্যমে ট্রলের শিকার হয়েছিলেন শ্রাবন্তী । এমনকি ঝিনুককে হতে হয়েছে ট্রলের শিকার। এই নায়িকা ট্রোল বিষয়ে কাউকে কোনও কৈফিয়ত দিতে রাজি নন।

তারপর বিবাহ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন রোশানের সঙ্গে। পুজোর মণ্ডপে পাঞ্জাবি পরিবারের ছেলের সঙ্গে শ্রাবন্তীর ভগ্নিপতির সুবাদে আলাপ হয়। সেখান থেকে তাদের ঘনিষ্ঠতা বেড়ে উঠে। পরক্ষণে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন । এটি হলো তৃতীয় বিবাহ ।কিন্তু সম্পর্কের টানাপোড়েনের অবশেষে কিছুটা চিড় হয়েছে। সচরাচর জানা জায়,  শ্রাবন্তীর তৃতীয় বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে।

আপনার মন্তব্যঃ

%d bloggers like this: