উবার কি বাংলাদেশে উবার ভাড়া কত ?

উবার কি?

উবার হলো মোবাইল বা স্মার্টফোনের অ্যাপ-ভিত্তিক একটি ট্যাক্সি সেবার নেটওয়ার্ক। উবার ভাড়া স্মার্টফোনের অ্যাপ নির্ধারণ করে দেয় বলে উবার ট্যাক্সি ভাড়া নিয়ে কোন জটিলতায় পড়তে হয় না।

সচেতন এবং প্রযুক্তি নিয়ে একটু আগ্রহী সবাই জানে উবার সম্পর্কে। তার পরেও কেউ কেউ এখনো উবারের ট্যাক্সি সেবার সম্পর্কে নাও জানতে পারেন। এটি হল একটি ডিজিটাল পরিবহন প্লাটফর্ম। যার মাধ্যমে একজন ইউজার খুব সহজে স্মার্টফোনের অ্যাপ দিয়ে ট্যাক্সি কল করতে পারে। আর একটু অন্যভাবে বলতে গেলে , এটি এমন একটি প্লাটফর্ম যার মাধ্যমে একজন ড্রাইভার বা ট্যাক্সি চালক খুব সহজেই প্যাসেঞ্জার পেতে পারে। পরিবহন নেটওয়ার্ক কোম্পানি উবারের কোন নিজস্ব ট্যাক্সি নেই। এই প্লাটফর্মটি তৈরি করেছে একটি আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানি। যার নাম উবার টেকনোলজিস ইনকর্পোরেশন (Uber Technologies Inc.)। তারা স্মার্টফনের জন্য একটি অ্যাপ তৈরি করেছে যার মাধ্যমে খুব সহজেই একজন ইউজার তাদের পরিবহন সেবা পেতে পারে।

উবার প্রতিষ্টার বিস্তারিত

উবার প্রতিষ্টার প্রাক্তন নাম ছিল উবারক্যাব। এটি একটি পরিবহন কোম্পানি। এর প্রতিষ্টাতার নাম ট্রেভিস কলানিক ও গ্যারেট ক্যাম্প। ইবে’র সিইও ছিলেন গ্যারেট ক্যাম্প। ঐ সময়ে অফিসে যাতায়াতকালে সান ফ্রান্সিসকোর দুর্দশাগ্রস্ত ট্যাক্সি ইন্ডাস্ট্রির ব্যবস্থাপনা গ্যারেট ক্যাম্পের লাইফস্টাইলের সাথে জড়িয়ে যায়। ২০১৭ সালের মে মাসের দিকে ক্যাম্পের কোম্পানিটি ইবে’র হস্তগত হওয়ার পরপরেই তিনি একটি মার্সিডিজ-বেঞ্জ সি-ক্লাস স্পোর্টস কার কিনলেন। রাস্তার দুরবস্থার কারণে সেটি নিয়ে তেমন একটা বের হতো না। তাই ঘোরাফেরা থেকে শুরু করে প্রয়োজনের ভ্রমণগুলোর জন্য ট্যাক্সির উপর নির্ভর করতে হতো। কিন্তু, সমস্যাটা শুরু হয় তখন, যখন প্রয়োজনের সময় ট্যাক্সির সাক্ষাৎ পাওয়া যাচ্ছিলো না।

এই সমস্যার সমাধান হিসেবে প্রথমাবস্থায় গ্যারেট ক্যাম্প কয়েকজন ট্যাক্সি ড্রাইভারের নাম্বার সংগ্রহ করে রাখতেন এবং কোথাও যাওয়ার জন্য বের হওয়ার ঘণ্টাখানেক পূর্বে তাদের ফোন করে ডেকে আনতেন। কিন্তু এই পদ্ধতি আরো বেশি সময় এবং ব্যয়সাপেক্ষ হয়ে দাঁড়ায়। প্রথমত, ঐ সকল ট্যাক্সি ড্রাইভারদের পৌঁছতে পৌঁছতে আরো অনেক খালি ট্যাক্সি পাশ কাটিয়ে চলে যেত, এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি তারা না আসতো, তাহলে পুনরায় তাদের ফোন করতে হতো। কিন্তু অধিকাংশ সময়ই দেখা যেত ঐসব ট্যাক্সি ড্রাইভাররা ফোন কলের কথা ভুলেই গেছে।

উবার কি
উবার ট্যাক্সি

বাংলাদেশে উবার

বাংলাদেশসহ বিশ্বের আরও ৬৩ দেশ ও ৭৮৫ টি বড় বড় শহরে উবারের কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৬ সালের ২২ নভেম্বর বাংলাদেশের ঢাকায় বিশ্বখ্যাত অ্যাপ-ভিত্তিক ট্যাক্সি সেবা নেটওয়ার্ক এর কার্যক্রম শুরু হয়।

কিভাবে ব্যবহার করবেন উবার ?

রাজধানী ঢাকায় চালু হলো অনলাইন ভিত্তিক ট্যাক্সি সার্ভিস উবার। এই সেবা গ্রহণের পদ্ধতিটি অত্যন্ত সহজ। গুগল অ্যাপস/ প্লে স্টোর থেকে উবারের অ্যাপটি ডাউনলোড করে ফোন নম্বর ও ইমেইল দিয়ে সাইনআপ করতে হবে। কোথাও যাওয়ার জন্য নিকটবর্তী চালককে অর্ডার করলেই কয়েক মিনিটের মধ্যে সামনে এসে হাজির হবে উবার ট্যাক্সি। গন্তব্যে পৌঁছার পর উবার ভাড়া পরিশোধ করতে হবে।যুক্তরাষ্ট্রের এই বহুজাতিক অনলাইন ট্রাস্পপোর্ট নেটওয়ার্ক কোম্পানিটির সেবা এখন বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়। কোম্পানির সদরদপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার স্যান ফ্রান্সিসকোতে। একটি সাধারণ অ্যাপের মাধ্যমে যেকেউ তার স্মার্টফোন থেকেই ট্যাক্সি সার্ভিস নেয়ার সুবিধা দেয় তারা। অবশ্য উবারের নিজস্ব কোনো গাড়ি নেই। তারা শুধু মধ্যস্বত্বভোগী হিসেবে কাজ করে।

উবার ফ্রী রাইড

যা দরকার একটি স্মার্ট ফোন ও একটি সচল সিম।

  • প্রথমে অ্যাপ টি Google Play Store থেকে নামিয়ে নিতে হবে। ডাঊনলোড লিঙ্ক
  • এরপর একটি Account খুলতে হবে অ্যাপ এ মোবাইল নাম্বার দিয়ে ।মোবাইল এ কোড পাঠাবে তা দিয়ে ভেরিফাই করলে হবে।
  • এর পর অ্যাপ মেনু থেকে ‘Payment’ অপশন এ গিয়ে প্রমো কোড অ্যাড করে নিলে ২৫০ টাকার একটি ফ্রি রাইড পাওয়া যাবে। লাগলে আমার এই প্রমো কোড টা ব্যবহার করতে পারবে 3595y91cf6 অথবা এই লিঙ্ক থেকে সাইন আপ করতে পারেন
  • এখন ফ্রি রাইড এর জন্য আপনি রেডি । গন্তব্য এর কোথা থেকে যাবেন দিয়ে চলে যান।

  ২৫০ টাকার বেশি আসলে সেটা নিজের থেকে দিতে হবে। এজন্য রাইড এর আগেই দেখাবে কত থেকে আসতে পারে। প্রতি কিলো মিটার ২১ টাকা । ওয়েটিং ৩ টাকা। বেস ফেয়ার ৫০ টাকা। এই ভাবে হিসাব হয়। প্রমো রাইড এর Validity ৯০ দিন পর্যন্ত থাকবে। তাই এখন নিয়ে রাখতে পারেন। ৩ মাসের মধ্যে প্রয়োজন মতে একদিন ফ্রি রাইড নিয়ে নিলেন।  

উবার কি
উবার মোটর

অনলাইনে আয় করতে আরও পড়ুন

কিভাবে বিকাশে টাকা আয় করা যায়
মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট
কোন গেম খেলে টাকা আয় করা যায় 
গেম খেলে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট 

উবার থেকে ড্রাইভার কত টাকা উপার্জন করতে পারে?

উবার অ্যাপ ব্যবহার করে একজন ড্রাইভার কত অর্থোপার্জন করবেন। তা কখন, কোথায় এবং কত সময় গাড়ি চালান তার উপর নির্ভর করে। কীভাবে ড্রাইভারের উবার ভাড়া হিসাব করা হয় দেখুন এবং প্রমোশনগুলি সম্পর্কে জানুন, যা আপনার উপার্জন বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। ধরে নিলাম একজন ড্রাইভার হিসাবে আপনি ইনকাম করতে চান।

  • স্ট্যান্ডার্ড ভাড়া

একজন ড্রাইভার সম্পন্ন করা প্রত্যেকটি ট্রিপ এর ভাড়া উপার্জন করতে পারবেন।

  • বর্ধিত ভাড়া

কখন ও কোথায় যাত্রীর চাহিদা বেশি আছে তা খুঁজতে আপনার অ্যাপে হীট ম্যাপ দেখুন। যাতে আপনি আপনার স্ট্যান্ডার্ড ভাড়ার উপরে আরও বেশি উপার্জন করতে পারেন।

  • ট্রিপে ন্যূনতম উপার্জন

প্রতিটি শহরের ন্যূনতম ভাড়া আছে যা আপনি যেকোনও ট্রিপে উপার্জন করবেন। এর ফলে ছোট ট্রিপেও আপনার উপার্জনে আপনার পরিশ্রমের প্রতিফলন নিশ্চিত করা হয়।

  • পরিষেবা ফি

এই ফি অ্যাপের উন্নয়ন এবং গ্রাহক সহায়তার মতো বিষয়গুলিতে অর্থায়ন করতে সহায়তা করে।

  • বাতিল করা

যদি কোনও যাত্রী রিকোয়েস্ট বাতিল করেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আপনি একটি বাতিলকরণ ফী পাবেন।

উবার হেল্পলাইন নাম্বার বাংলাদেশ

উবার হেল্পলাইন নাম্বার বাংলাদেশ
উবার হেল্পলাইন নাম্বার বাংলাদেশ

উবার হেল্পলাইন নাম্বার যাত্রী বা ড্রাইভার উভয়ের প্রয়োজন হতে পারে। নতুন কোন বিষয় জানা বা অভিযোগের জন্য তাদের হেল্পলাইন নাম্বার প্রয়োজনীয়।

উবার হলো একটি ট্যাক্সি সেবার নেটওয়ার্ক।। যারা প্রযুক্তিকে এখনো ভালোভাবে গ্রহণ করতে পারে নাই। তারা এটাকে বিশেষ কিছু মনে করতে পারে। আসলে এটি একটি আরামদায়ক প্রফেশনাল ট্যাক্সি সার্ভিস। যার মাধ্যমে একটি সাধারণ অ্যাপের মাধ্যমে যে কেউ তার স্মার্টফোন থেকেই ট্যাক্সি সার্ভিস নেয়ার সুবিধা দেয়।

উবার বিস্তারিত

অনলাইনে গেম খেলে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্টের উপায়

গেম খেলে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট পাওয়ার উপায়

মোবাইলে ভিডিও গেম খেলে টাকা আয় বিষয়টা শুনতেও অনেকের কাছে হাস্যকর মনে হতে পারে।টাকা ইনকাম app, গেম খেলে টাকা আয় বিকাশে ইত্যাদি কিন্তু অনেকেই আবার মোবাইলে লুডু খেলে টাকা আয় করার জন্য বিভিন্ন উপায় খুঁজে বেড়ান। এ ব্যাপারটি তাদের জন্য আশ্চর্যবোধক নাও হতে পারে। কিন্তু যারা লুডু খেলে মোবাইলে অনলাইনে টাকা আয় করার চিন্তা মাথায় নিয়ে ঘুরে বেড়ায় তাদের জন্য আজকের এই পোস্টে আলোচনা করবো কোন কোন গেম খেলে টাকা আয় করা যায়। এছাড়াও আমি মোবাইলে গেম খেলে টাকা আয় করার কয়েকটি উপায় নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করব। মোবাইলে গেম খেলে টাকা আয় করার জন্য কিছু গেমিং অ্যাপস এর সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করব।

আমরা পূর্বের আর্টিকেলে গেম খেলে টাকা আয় করার কিছু অস্থায়ী পদ্ধতির কথা আপনাদেরকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু আজকের এই পোস্টে আপনাদেরকে আমি জানাবো আপনি কিভাবে চিরস্থায়ী গেম খেলে কিভাবে মোটামুটি ভালো পরিমাণ একটা অর্থ উপার্জন করতে পারেন। কিন্তু এই উপার্জনের জন্য আপনার অবশ্যই প্রয়োজন হবে সামান্য পরিশ্রম ও ভালো ধৈর্যশক্তি । আপনার যদি এই দুটি জিনিসের সমস্যা না হয় তাহলে আপনি আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়তে পারেন।

আসলে টেকনোলজির উন্নতি হওয়ার সাথে সাথে অনলাইনে ভিডিও গেম খেলার প্রবনতা বেড়েই চলেছে। এক সময় কম্পিউটার গেমগুলো শুধুমাত্র অফলাইনে বসে নিজে নিজে খেলা হত। গেম গুলো সাধারণত বাটন মোবাইলেও খেলা হতো যেমনঃ সাপ, সেটুকু ইত্যাদি । অফলাইনে গেম খেলার আগ্রহ পূর্ব থেকেই ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেটি অনলাইনে টিমওয়ারী খেলার পদ্ধতি আবিষ্কার করে। এখন অধিকাংশ ভিডিও গেম অনলাইনে বিভিন্ন টিমে বিভক্ত হয়ে খেলা হয়। এ ধরনের গেম এর মধ্যে PUBG, Free Fire গেম বেশ জনপ্রিয় অনলাইন গেম

গেম খেলে টাকা আয় করুন

যারা গেম খেলতে পছন্দ করেন তাদের জন্য আজকের এই পোস্টটি। যারা শখের বসে গেম খেলেন তাদের জন্য আলোচনা করবো কোন কোন গেম খেলে আপনি মোবাইলে টাকা আয় করতে পারবেন। ভিডিও গেম খেলা অনেকের জন্য শখের কাজ হোক সেটা অনলাইনে বা অফলাইনে। সাধারণত যারা সবচেয়ে বেশি গেমস খেলতে পছন্দ করেন তাদের মধ্যে স্কুল কলেজের ছাত্র- ছাত্রীর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। আবার এমন ধরনের অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে গেম খেলার জন্য কলেজের টাইম ক্লাস ফাকি দিয়ে মোবাইলের ভিডিও গেমসের মধ্যে ডুবে যায়।

গেম খেলে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট পাওয়ার উপায়
গেম খেলে টাকা আয়

আপনি হয়তো বা লক্ষ্য করতে পারেন যে, মোবাইলের ভিডিও গেমের কারণে আজকাল ছেলে মেয়েদের মাঠে খেলাধুলার পরিমাণ অনেক কমে গেছে। আজকাল পথে-ঘাটে বের হলে দেখা যায়, ছেলেমেয়েরা ভিডিও গেমসের প্রতি খুব বেশি আসক্ত হয়ে পড়েছে। কানের মধ্যে হেডফোন লাগিয়ে একজন আরেকজনের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে গেম খেলার বিষয়ে। আর এ সকল গেমের কারণে ছেলে-মেয়েরা বাস্তব জীবন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। বিষয়টা অনেকটা বিরক্ত লাগার মতই। মাঝে মাঝে মনে হয় এই সকল ছেলে মেয়েরা স্কুল-কলেজ ফাঁকি দিয়ে কেন শুধু গেম খেলে বাবার টাকা নষ্ট করছে। 

বর্তমানে প্রযুক্তির যুগে অনলাইনে ভিডিও গেম খেলার প্রবণতা দিন দিন বেড়েই যাবে। কিন্তু এতে ছেলে মেয়েদের শুধু অপব্যয় ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই আজকে আপনাদের সাথে আমি আলোচনা করব ভিডিও গেম খেলে কিভাবে সামান্য পরিমাণ অর্থ উপার্যন করা যায়। আপনার বাবার টাকা নষ্ট এর হাত থেকে আপনি কিছুটা হলেও বাঁচাতে পারবেন। এমনকি আপনার পকেট খরচ যোগাতে পারবেন। 

গেম খেলে টাকা আয় করতে পারবেন যারা 

যারা অনলাইনে গেম খেলে টাকা আয় করতে চান তাদের জন্য প্রায়ই একটা কথা বলি অনলাইন আয় এতটা সহজ উপায় নয়। কিন্তু আবার সেটা বলিনি যে এটা তেমন কঠিন কোন কাজ। আপনি যে কোন মাধ্যম বা উপায় অবলম্বন করে অনলাইনে টাকা আয় করতে চাইলে আপনার অবশ্যই প্রয়োজন হবে দক্ষতার। দক্ষতা বা অভিজ্ঞতা ছাড়া কোন কাজ করলে সেটা থেকে ভাল ফলাফল আশা করা সম্ভব নয়। হোক সেটা অনলাইন বা অফলাইন, ছোট বা বড় যেকোনো ধরনের কাজ। ঠিক তেমনভাবে একটি বিষয়ে ভালো দক্ষতা ছাড়া অনলাইন থেকে টাকা আয় করা সম্ভব হবে না।

আপনাকে গেম খেলে টাকা আয় করতে হলে অবশ্যই আপনার গেম বিষয়ে অনেক ভালো অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। যদি কেউ আপনাকে অনলাইনে আয় করার লোভনীয় অফার দেয় তাহলে আপনি তার ফাঁদে পা দিবেন না। আপনি তার অফারকে বিশ্বাস না করে আপনার কাজের প্রতি বিশ্বাস রাখুন। আপনার কাজের প্রতি যদি আপনার অগাধ বিশ্বাস থাকে তাহলে আপনি অনলাইন আর অফলাইন নাই যে কোন কাজে আপনি ভাল করতে পারবেন।

আমরা যেহেতু আজ অনলাইনে গেম খেলে কিভাবে টাকা আয় করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা করছি। তাই আমরা শুধু আজকে গেম খেলে টাকা আয় সার্ভিসটি আপনাকে দিব। আর এই সার্ভিসটি হবে দীর্ঘস্থায়ী এটা কোন ক্ষণস্থায়ী বা অস্থায়ী পদ্ধতি নয়।  আপনাকে অনলাইনে আয় করতে হলে প্রথমেই আপনার ধৈর্য শক্তি ও পরিশ্রম প্রয়োগ করতে হবে।

অনলাইনে আয় করতে আরও পড়ুন

·               কিভাবে বিকাশে টাকা আয় করা যায়
·             মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট
·             কোন গেম খেলে টাকা আয় করা যায় 
·              গেম খেলে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট 

গেম খেলে টাকা আয় করার জন্য যা লাগবে 

গেম খেলে টাকা আয় করার জন্য পরিশ্রম ও ধৈর্যশক্তির কথা বাদই দিলাম। কিন্তু এছাড়াও আরো কিছু যন্ত্রপাতি প্রয়োজন হতে পারে আপনার। একটি ভালো গেমিং এন্ড্রয়েড ফোন অথবা গেমিং কম্পিউটার দুটির একটি হলেই হবে। একটি ভালো মানের HD সাপোর্টেড স্ক্রিন রেকর্ড অ্যাপ্লিকেশনটির মাধ্যমে আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার স্ক্রিন রেকর্ড করা হবে। এছাড়া অনলাইনে গেম খেলার জন্য প্রয়োজনীয় ইন্টারনেট ডাটা প্যাক। এছাড়া আপনার গেম খেলার অভিজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই প্রয়োজন হবে না।

উপরোক্ত বিষয়গুলো পড়েন এতক্ষণ পর্যন্ত আপনি বুঝে গেছেন যে, গেম খেলে টাকা আয় করার জন্য আপনাকে একজন বাজে গেমার হতে হবে, বেশি বেশি খেতে হবে। দুঃখিত একটু মজা করলাম আপনাদের সাথে। কারণ গেম খেলার অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করবে আপনার কি পরিমাণ অর্থ উপার্জন হবে। যদি আপনি মনে করেন অনলাইনে গেম খেলার যেসব অ্যাপ্লিকেশন প্লে- ষ্টোরে আছে সেগুলো ইন্সটল করে আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। তাহলে আমি বলব, আপনি এখনও বোকার স্বর্গে বাস করছেন। কিন্তু এটাও বলছি গেমগুলো থেকে আস্থায়ীভাবে সামান্য কিছু অর্থ উপার্জন করতে পারবেন যেগুলো আপনার কোন কাজে আসবে না। তাই আজকের এই পোস্ট আমি তেমন কোনো অ্যাপ্লিকেশন রিভিউ নিয়ে আলোচনা করবো না। আজকে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করব গেম খেলে চিরস্থায়ী উপায়ে কিভাবে আয় করা যায়। 

ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে অনেক সস্তায় পেয়ে যাবেন কিছু পোস্ট যেগুলোতে বলা হয় গেম খেলে আয় করুন ১০০ ডলার, গেম খেলে আয় করুন ৫০ ডলার, এই গেমটি ইন্সটল করি পেয়ে যাবেন ১০ ডলার ইত্যাদি। এসব ধান্দাবাজি আর ফাইজলামী ছাড়া আর কিছুই নয়। তবে অনলাইনে কিছু গেম রয়েছে যেগুলো কম্পিউটার বা মোবাইলে ইন্সটল করার পর কিছু পরিমাণ কয়েন পাওয়া যায়। কিন্তু সেগুলো থেকে যে পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন সেখান থেকে ১০০ ডলার ইনকাম করতে আপনার লেগে প্রায় একবছর। তাই এই বিষয় থেকে দূরে থাকাই ভালো।

১. ইউটিউবে গেম খেলে টাকা আয়

অনলাইনে গেম খেলে টাকা আয় করার সবচেয়ে ভালো ও জনপ্রিয় একটি মাধ্যম হচ্ছে ইউটিউবিং করা। ইউটিউবে একজন ভালো গেমার খুব সহজেই অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে পারে। ইউটিউবে গেমারদের প্রচলন রয়েছে। গেমিং চ্যানেল তৈরি করার মাধ্যমে সেখানে ভিডিও আপলোড করে অন্যান্যদের মত খুব সহজেই ভালো একটি ইনকাম করা যায়। সবচাইতে বড় কথা হচ্ছে অন্যান্য ইউটিউবারদের মতো খুব বেশি পরিশ্রম মেধা খরচ করতে হয় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একজন গেমার তার ভিডিও রেকর্ড করে টেকনিক্যালি ইউটিউবে আপলোড করতে পারে। তাই সর্বপ্রথম গেম খেলে টাকা আয় করতে হলে একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকা জরুরী। আপনি কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল খুলবেন তার ভিডিও নিচে দেওয়া হলঃ

একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে আপনি সেখানে নিয়মিত ভিডিও আপলোড করতে পারেন। আপনি যে গেমগুলো খেলতে পছন্দ করেন এবং গেমগুলোতে আপনি বেশি দক্ষ মনে করেন সেই গেমগুলোর স্ক্রিন রেকর্ড করে তার ভিডিও আপনি ইউটিউবে আপলোড করতে পারেন। বন্ধুরা একজন গেমার ইউটিউবার তিনটি উপায়ে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করতে পারে। ভিডিও আপলোড করে ভিডিও মনিটাইজেশনের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন। ভিডিও মনিটাইজেশন করে আপনি অনেক টাকা ইনকাম করতে পারেন। এজন্য আপনাকে আলাদা করে কোন স্ক্রিপ্ট , ভিডিও রেকর্ড করার মতো ঝামেলায় পড়তে হয় না।

বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয় ইউটিউব গেমিং ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে যারা প্রচুর পরিমাণ ইনকাম করতে পারেন। বাংলাদেশে থেকে অনেক গেমার প্রায় ১০০০ থেকে ২০০০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন। একজন গেমারকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হয় তার ভিডিওগুলোর কোয়ালিটি উপর। তার ভিডিওগুলোর কোয়ালিটি যেন অন্যদের চাইতে ভাল হয়। ভিডিও কোয়ালিটি যদি ভাল হয় তাহলে ইউটিউবে ভিউয়ার পরিমাণ বেড়ে যায়। আর ভিউ বেড়ে গেলে অ্যাডভার্টাইজমেন্ট বেড়ে যায়। আর অ্যাডভার্টাইজমেন্ট বেড়ে গেলে বুঝতেই পারছেন আপনার এডসেন্স ভারী হতে থাকবে । ও আরেকটি কথা বলাই হয়নি ইউটিউবে যে পরিমাণ ইনকাম হবে সেই পরিমাণ ইনকাম আপনার গুগোল অ্যাডসেন্সে জমা হবে সেখান থেকে আপনি ব্যাংক অথবা যে কোন মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবেন। 

ইউটিউব একটি ভালো পার্ট টাইম জব এর মত কাজ করে। একজন গেমারের অনলাইনে আয় করার সবচেয়ে সহজ উপায় যদি খুঁজে তাহলে তা হচ্ছে ইউটিউব। একটু খেয়াল করলেই দেখবেন গেমিং চ্যানেল গুলোর ভিডিও প্রতিদিন মিলিয়ন থেকে মিলিয়ন ভিউজ হয়। কিন্তু সেই তুলনায় খুব বেশি পরিশ্রম করতে হয় । অনলাইন গেম খেলে আয় যে পরিমাণ করা যায় তা জানলে হয়তো আপনার চোখ কপালে উঠে যাবে। শুধুমাত্র ভিডিও গেমস এর মাধ্যমে ইউটিউব থেকে ইনকাম সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য বর্তমানে বিশ্বের একটি জনপ্রিয় চ্যানেল উদাহরণ হিসেবে আপনাদের সামনে তুলে ধরা হলো।

T-series ইউটিউবের সবচেয়ে বড় একটি চ্যানেল। এটি ভারতের একটি মিউজিক কোম্পানির পরিচালনায় নিয়ন্ত্রিত। ইউটিউব সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা প্রায় ২০০ মিলিয়ন এর কাছাকাছি। তবে t-series একটি সংগীত মূলক ভারতীয় চ্যানেল। এর পরপরই স্থান দখল করে আছে একটি গেমিং চ্যানেল যার নাম PewDiePie। আর এই চ্যানেলটি একটি জনপ্রিয় গেমিং চ্যানেল। ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইব সংখ্যা হচ্ছে প্রায় ১১৫ মিলিয়ন। এটি একটি গেমিং চ্যানেল যার অবস্থান ইউটিউব থেকে বিশ্বের দ্বিতীয়।

 ইউটিউব চ্যানেলটি শুধুমাত্র গেমিং ভিডিও আপলোড করে। আর এই গেমিং ভিডিও আপলোড করে প্রতিমাসে প্রায় ৫০০,০০০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করে থাকে। এছাড়াও আরও অনেক রকম জনপ্রিয় গেমিং চ্যানেল রয়েছে। তবে আপনি যদি একজন দক্ষতা সম্পন্ন ভালো গেমার হন এবং প্রফেশনাল ভাবে আপনার গেম ইউটিউবে আপলোড করে থাকেন তাহলে কিছুদিন যাওয়ার পর ভিডিও আপলোড করে প্রতিমাসে ৫০০ থেকে ১০০০ ডলার আয় করা এমন কোন কষ্টের ব্যাপার হবে না। এরপর আস্তে আস্তে যখন আপনার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে আপনার আয়ের পরিমাণ তত বাড়তে থাকবে। তাই আমি আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে সাজেস্ট করবো আপনি যদি গেম খেলে টাকা আয় করতে চান তাহলে অবশ্যই ইউটিউব চ্যানেল খোলার চেষ্টা করতে পারেন।

অনলাইনে আয় করতে আরও পড়ুন

·               কিভাবে বিকাশে টাকা আয় করা যায়
·             মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট
·             কোন গেম খেলে টাকা আয় করা যায় 
·              গেম খেলে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট 

 

২. ব্লগিং করে টাকা আয় 

গেম খেলে টাকা আয় করার আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম ব্লগিং করা। গেমিং ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করে আই আপনার যদি বিভিন্ন ধরনের গেম সম্পর্কে ভাল অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তাহলে আপনার নিজের নামে একটি অথবা অন্য কোন ভালো নামে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেন। সেখানে গেম এর রিভিউ লিখে ব্লগিংয়ের মাধ্যমে অনলাইনে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করতে পারেন। আপনি চাইলে কোন প্রকার ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই ফ্রিতে ওয়েবসাইট তৈরি করে আয় শুরু করতে পারেন। তবে আপনি চাইলে ডোমেইন- হোস্টিং ক্রয় করে আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন।

লুডু খেলে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট পাওয়ার উপায়
লুডু খেলে টাকা আয়

আপনি আপনার ব্লগে যদি ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে পারেন তাহলে সেখানে ভালোমানের ট্রাফিক আসবে আশা করা যায়। গেম খেলে টাকা আয় তাই আপনাকে প্রথমে গেমিং বিষয়ে ভালো পরিমাণ ধারণা থাকতে হবে। কারণ আপনি যে বিষয়ে ব্লগিং করবেন সে বিষয়ে যদি ভাল ধারনা না থাকে তাহলে আপনি ভালো লিখতে পারবেন না। আর ভালো আর্টিকেল লিখতে না পারলে সেখানে ভালো পরিমাণ ট্রাফিক আশা করা যায় না । আর ব্লগিং এ ইনকাম আসে আপনার ট্রাফিক পরিমাণের উপর নির্ভর করে । আপনি জানেন এবং অনেক ভাল জানেন সেগুলো নিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করুন এবং সেখানে লেখালেখি করা শুরু করুন। আপনি যদি আপনার জ্ঞানের বিষয় সাজিয়ে গুছিয়ে লিখতে পারেন তাহলে সেখানে আপনি অনেক ট্রাফিক আশা করতে পারেন এবং সেই ট্রাফিক থেকে আপনার ব্লগে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে একটি ভালো পরিমাণ ইনকাম করতে পারবেন। 

গেমিং ওয়েবসাইটগুলোতে অনেক ভালো পরিমাণে ট্রাফিক থাকে। কাজেই আপনি যদি জানেন সম্পর্কে অনেক ভালো জানেন এবং সেগুলো নিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করেন তাহলে আপনি খুব সহজেই লেখালেখি করে আয় করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই কনটেন্ট রাইটিং সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। কারণ আপনি যদি গেমের বিষয়ে সাজিয়ে গুছিয়ে লিখতে না পারেন তাহলে একজন পাঠক আপনার রিভিউটি পড়তে চাইবে না। 

বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আর্টিকেল লিখে আয়

অন্যের ওয়েবসাইটে ঢুকে সেই ওয়েবসাইটের মধ্যে একটি একাউন্ট করে লেখালেখি করাকে গেস্ট পোস্ট বলা হয়। গেস্ট পোস্ট দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। অনেকে রয়েছে যারা নিজেদের সুবিধার্থে অন্যের ওয়েবসাইট এর মধ্যে গেস্ট পোস্ট করে থাকেন। বিনিময় কোন প্রকার টাকা আয় করতে পারেন না। বিশেষত তারা শুধু নিজের প্রয়োজনে সেই সকল ওয়েবসাইট এরমধ্যে গেস্ট হিসেবে আর্টিকেল পোস্ট করে থাকেন।

শুধুমাত্র গেস্ট পোস্টিং করা ছাড়াও এমন কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যেই ওয়েবসাইটগুলোতে জয়েন হয়ে ব্লগ পোস্ট পাবলিশ করতে পারবেন, আর আর্টিকেল লিখে পাবলিশ করার পর প্রতিটি পোস্ট থেকে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা তারা আপনার একাউন্টে জমা করে দেবে। এ সকল ক্ষেত্রে একেক ওয়েবসাইট আর্টিকেল এর উপর একেক ধরনের অ্যামাউন্ট পে করে থাকে।

৩. Twitch এ গেমিং ভিডিও আপলোড করে আয়

ইউটিউব এর মত আরেকটি ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে Twitch গেম খেলে টাকা আয় করার আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম Twitch. তবে এই প্ল্যাটফর্মটিতে সকল ধরনের ভিডিও আপলোড করা হয় না। Twitch এর মধ্যে শুধুমাত্র ভিডিও গেমের লাইভ স্ট্রিমিং ও রেকর্ডকৃত নানা ধরনের গেমিং ভিডিও এখানে আপলোড করা হয়ে থাকে। আপনি যদি ইউটিউব এর মত এরকম একটি জনপ্রিয় প্লাটফর্মে ভিডিও আপলোড করতে পারেন, ইউটিউব এর পাশাপাশি গেমিং ভিডিও আপলোড করে টাকা ইয় করতে পারেন। তাহলে Twitch প্ল্যাটফর্মটি আপনার জন্য সহজ মনে হবে। 

তাছাড়া এখানে আরেকটি চমৎকার ব্যাপার হচ্ছে, ইউটিউবের মত করে Twitch এরমধ্যে এত কঠিন পলিসি নেই। এখানে আপনি ভিডিও তৈরি করে খুব অল্প সময়ের মধ্যে ভিডিও আপলোড করে আয় করা শুরু করতে পারবেন। Twitch থেকে আয় করার জন্য সর্বপ্রথম আপনাকে তাদের হালকা কিছু নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে। আর এর জন্য নিচের রিকোয়ারমেন্ট গুলো পুরন হলেই ভিডিও মনিটাইজ করে আয় করা সম্ভব হয়।

  • শেষ এক মাসে যদি আপনার মাত্র ৫০০ মিনিট ওয়াচ টাইম থাকে তাহলেই ভিডিও মনিটাইজ  করে আয় করা শুরু করতে পারবেন।
  • শেষ এক মাসে ৭ টি ভিডিও আপলোড করতে হয়।
  • শুধুমাত্র ৫০ জন ফলোয়ার থাকলে ভিডিও মনিটাইজ করা সম্ভব হয়। কিন্তু ইউটিউব এর ক্ষেত্রে ১০০০ সাবস্ক্রাইবার লাগে।

Twitch প্ল্যাটফর্মটির কথা আপনি হয়তো এবারই প্রথম শুনতে পারেন। কারণ বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ এ সম্পর্কে খুব একটা জানেনা। কিন্তু গেম স্ট্রিমিং এর জন্য Twitch প্ল্যাটফর্মটি অনেক জনপ্রিয় একটি ওয়েবসাইট। তাছাড়াও এখানে আরেকটি মজার ব্যাপার হচ্ছে এখানে অনেক ইন্টারন্যাশনাল গেমারদের সন্ধ্যান পাওয়া যায়। যদি আপনি একজন দক্ষ গেমার হয়ে যান, তাহলে গেম খেলে টাকা আয় করার আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম Twitch থেকে ইনকাম করতে পারেন। ওয়েবসাইটটির মাধ্যমে ইনজয় করার পাশাপাশি ভিডিও স্ট্রিমিং করে গেম খেলে টাকা আয় করে নিতে পারবেন।

৪. ফেসবুক থেকে টাকা আয়

আমাদের মধ্যে অনেকেই ফেসবুক থেকে কিভাবে টাকা আয় করা যায় এ সম্পর্কেও google সার্চ করে থাকি। আপনি যদি একজন দক্ষ গেমার হতে পারেন তাহলে আপনি ফেসবুক থেকে আয় করতে পারবেন। আর এই কাজটি করার জন্য আপনার অবশ্যই একটি ফেসবুক পেজ থাকতে হবে। আর সেই ফেসবুক পেজটিতে ভিডিও আপলোড করতে হবে।গেম খেলে টাকা আয় করার আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক। 

গেম খেলে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট পাওয়ার উপায়
গেম খেলে টাকা আয়

একটি কথা অবশ্যই মনে রাখবেন, শুধুমাত্র একটি নিজস্ব ফেসবুক একাউন্ট খুলে আয় করা কখনোই সম্ভব নয়। আপনাকে একটি নির্দিষ্ট ফেসবুক পেজ খুলতে হবে এবং সেই ফেসবুক পেজটিতে গেমিং ভিডিও আপলোড করতে থাকুন। আপনি চাইলে গেমগুলো লাইভ স্ট্রিমিং করতে পারেন। এতে করে সহজ অনেক বেশি ভিউজ পাবেন। ফেসবুকের নিয়মাবলী অনেকটা ইউটিউব এর মতই। বর্তমানে অনেক গেমার রয়েছে যারা শুধুমাত্র ফেসবুক থেকেই অনেক ভালো পরিমাণ টাকা আয় করছে।

বর্তমানে ইউটিউব এর থেকেও খুব তাড়াতাড়ি সফলতা পাওয়া সম্ভব হবে। কারণ এখানে প্রচুর পরিমাণে একটিভ ট্রাফিক রয়েছে। যার কারণে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আপনার যেকোনো একটি ভিডিও যদি ভাইরাল হয়ে যায় তাহলে যে কি পরিমান টাকা ইনকাম হবে। এখানে আরেকটি সুবিধা হচ্ছে আপনি আপনার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করতে পারবেন। এতে করে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের পাশাপাশি ফেসবুক থেকেও আয় করার মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারেন। 

অনলাইনে আয় করতে আরও পড়ুন

·               কিভাবে বিকাশে টাকা আয় করা যায়
·             মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট
·             কোন গেম খেলে টাকা আয় করা যায় 
·              গেম খেলে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট 

৫. টুর্নামেন্ট গেম খেলে টাকা আয়

আমাদের মাঝে অনেক মানুষ রয়েছেন যাদের গেমিং টুর্নামেন্ট খেলার প্রতি অনেক আগ্রহ রয়েছে। আর এই গেমিং টুর্নামেন্ট বর্তমানে অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনেও খেলা হয় থাকে। বিশেষত বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় গেম PUBG, Free Fire এবং Call of Duty এর টুর্ণামেন্ট নানা রকমের সাইবার ক্যাফেতে আয়োজন করা যায়। এছাড়াও এসকল  গেম গুলোর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করে অনলাইনে এন্ট্রি ফি দাখিল করে টিমওয়ারি গেম খেলে টাকা আয় করা যায়।

গেম খেলে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট পাওয়ার উপায়
গেম খেলে টাকা আয়

যদি আপনি অনেক দক্ষতা সহকারে PUBG খেলতে পারেন  অথবা যদি আপনি নিজেকে একজন PUBG এক্সপার্ট মনে করেন, তাহলে  অনলাইনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে বিভিন্ন দলের সাথে পাবজি খেলে ঘরে বসে টাকা আয় করে নিতে পারবেন। তবে একটি কথা মনে রাখবেন এন্ট্রি ফ্রি দেওয়ার পর খেলায় যদি আপনি হারেন, তাহলে আপনি আপনার  সেই এন্ট্রি ফি ফিরে পাবেন না।

এরকম ধরনের গেমের ক্ষেত্রে আপনি এক্সপার্ট না হলে অংশগ্রন করবেন না। কারণ বর্তমানের এই কম্পিটিশনের যুগে অনেক দক্ষতা সম্পন্ন গেমার  অনলাইনে রয়েছেন যারা আপনার থেকেও অনেক বেশি দক্ষতা সম্পন্ন হয়। কিন্তু আপনি একজন দক্ষতা সম্পন্ন গেমার হয়ে উঠতে পারেন  এবং সবসময় টুর্ণামেন্ট জিতে পারেন তাহলে গেমিং এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

শেষ কথা

আসলে আপনার যদি গেমের প্রতি প্রচুর আগ্রহ এবং দক্ষতা থাকে তাহলে আপনি উপরের মাধ্যমগুলো ছাড়াও আরো বিভিন্ন উপায় বা মাধ্যম ব্যবহার করে গেম খেলে টাকা আয় করতে পারবেন। যেহেতু বর্তমান সময়ে গেমিং এর ক্ষেত্রে ইউটিউব এবং ফেসবুকে এগিয়ে। তাই আপনি ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করার পাশাপাশি সেইটা আবার ফেসবুকে আপলোড করা শুরু করে দিন। তারপর আস্তে আস্তে আপনার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির পাশাপাশি আপনি নিজেই গেমিং এর মাধ্যমে ভালো পরিমাণে টাকা আয় করতে সক্ষম হবেন।

গেম খেলে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট নিতে আপনার তেমন কোন কষ্ট হবে না । আপনি চাইলে গেম খেলে টাকা আয় করে সেই টাকা ব্যাংক এ জমা করে যখন- তখন বিকাশে পেমেন্ট নিতে পারেন।

মনে রাখবেন গেম খেলে টাকা আয় করার জন্য আপনি আপনার জীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট করবেন না । এতে আপনার পরবর্তী জীবনের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়াবে ।

অনলাইনে আয় করতে আরও পড়ুন

·               কিভাবে বিকাশে টাকা আয় করা যায়
·             মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট
·             কোন গেম খেলে টাকা আয় করা যায় 
·              গেম খেলে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট 

আমি কোন ইসলামিক চিন্তাবিদ নই তাও বলতে পারি, কম্পিউটার বা মোবাইল এর মাধ্যমে গেম খেলে টাকা আয় করা অবশ্যই ঠিক নয়। কারণ যেসব খেলায় শারীরিক বা মাংসিক কোন পরিশ্রম নাই, সেইসব খেলা করে টাকা উপার্জন করা উচিত না। অর্থাৎ আমাদের উচিত গেম খেলে টাকা উপার্জন না করে কাজ শিখে চিরস্থায়ী টাকা আয়ের হোক অনলাইন অথবা অফলাইন উপায় অবলম্বন করা। এক্ষেত্রে আপনি আমার দেখানো দুইটি উপায় অবলম্বন করতে পারেন। আমাদের লিখাটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।

ডিজে গান সৃষ্টির ইতিহাস

ডিজে গান সৃষ্টির ইতিহাসঃ 

DJ এর পূর্ণরূপ হলো disc jockey DJ গানের আবিষ্কারক Leon scott । তিনি ১৯০৯ প্রথম ডিজে গান আবিষ্কার করেন। আসলে DJ Song নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই, যা আছে, তা হলো রিমিক্স। রিমিক্স বলতে বোঝায় গানটার পুনরায় কম্পোজিশন। কিন্তু অনেক ছেচরা কম্পিউটার ইউজার ও সাউন্ড রিলেটেড ফাইল সহজলভ্য হওয়াতে তা দিয়ে যা করা হচ্ছে, তাই কিন্তু রিমিক্স নয়। রিমিক্স মানে এতে কোনো নতুন সুর থাকবে। যাই হোক, DJ Song বলে কিছু নেই, যা আছে তাকে EDM বলে, মানে Electronic Dance Music, যেখানে গানের বেশি অংশ জূড়ে থাকে কম্পোজিশন বা মিউজিক। ধুম ধাম বেস থাকলেই তা কম্পোজিশন বা EDM না, তা শুধু ছেচরামি বলা যায়।

বর্তমান যুগে যে কোন কারনেই হোক না কেন বাংলা গানের একটি রিমিক্স ডিজে গান বের হয় |  ডিজে গান জনপ্রিয় এবং তার ভিতরে ও সবথেকে জনপ্রিয় হলো ডিজে হিন্দি গান |

মহিলাদের ডিজে গানঃ

পাশ্চাত্য জনপ্রিয় সংগীতে মহিলা সংগীতজ্ঞরা গানে এবং গীতিকারের ভূমিকাতে দুর্দান্ত সাফল্য অর্জন করেছেন, তবে তুলনামূলকভাবে খুব কম মহিলা ডিজে গান বা টার্নটাবলিস্ট রয়েছে। এর একটি অংশ অডিও প্রযুক্তি সম্পর্কিত চাকরিতে মহিলাদের সাধারণ নিম্ন শতাংশ হতে পারে। ২০১৩ সালের সাউন্ড অন সাউন্ড নিবন্ধে বলা হয়েছে যে “.. রেকর্ড প্রযোজনা এবং সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কয়েকজন মহিলা রয়েছেন। এনকিউব বলেছে যে ” পঞ্চাশ শতাংশ সংগীত প্রযোজক পুরুষ এবং যদিও সেখানে নারী নির্মাতারা রয়েছেন সংগীতে দুর্দান্ত জিনিস অর্জন করা, তারা তাদের পুরুষ সহযোগীদের তুলনায় কম পরিচিত সঙ্গীত প্রযুক্তি প্রোগ্রামগুলিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যাগরিষ্ঠ পুরুষই হিপহপ সঙ্গীতে, মহিলাদের ডিজে গান এবং টার্ন্টব্লিস্টগুলির কম শতাংশ পুরো হিপহপ সঙ্গীত শিল্পের সামগ্রিক পুরুষ আধিপত্য থেকে উঠে আসতে পারে। শীর্ষস্থানীয় র‌্যাপস, এমসি, ডিজে গান , রেকর্ড প্রযোজক এবং সংগীত আধিকারিকরা বেশিরভাগই পুরুষ। উচ্চ-প্রোফাইলের মহিলাদের সংখ্যা খুব কম, তবে তারা বিরল।

 

মহিলা ডিজে গান
মহিলা ডিজে গান

ডিজে ভার্জিন লন্ডন-ভিত্তিক ডিজে গান, এখানে একটি পাইওনিয়ার ডিজে কন্ট্রোলারের সাথে মিশ্রিত চিত্র যা ভিনাইল রেকর্ড প্লেয়ারগুলির শব্দটির প্রতিরূপ তৈরি করতে পারে।
২০০৭ সালে মার্ক ক্যাটজের “পুরুষ, মহিলা এবং টার্নটেবলস: জেন্ডার এবং ডিজে যুদ্ধ নিবন্ধটি বলেছিল যে “খুব কম মহিলা [টার্নটাব্লিজম] যুদ্ধ করে [গুলি]; বছর ধরে ধরে হিপ-হপ ডিজেদের মধ্যে বিষয়টি আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১০ সালে রেবিকা ফারুগিয়া বলেছেন যে ইডিএম সংস্কৃতির পুরুষকেন্দ্রিকতা । এই [ইডিএম] স্থানগুলিতে মহিলাদের একটি প্রান্তিককরণ অবদান রাখে। যদিও টারেন্টাব্লিজম এবং বিস্তৃত ডিজে অনুশীলনগুলি মিলে না যাওয়া উচিত, কাটস পরামর্শ দিয়েছেন। জেনার ও শৃঙ্খলা জুড়ে মহিলারা ব্যাপকভাবে টার্নটেবলের ব্যবহার বা ব্যবহারের অভাবকে “পুরুষ টেকনোফিলিয়া” হিসাবে সংজ্ঞায়িত করে তার দ্বারা প্রভাবিত হয় ইতিহাসবিদ রুথ ওলেনডিজিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে তাঁর লেখায় সম্মিলিতভাবে সামাজিকীকরণের এই ধারণাটিকে কেন্দ্রিয় কারণ হিসাবে বিবেচনা করেছেন প্রযুক্তির সাথে ব্যস্ততার অভাব। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন: “মহিলাদের ক্ষেত্রে মাঠে নামতে ব্যর্থতার উপর একচেটিয়া দৃষ্টি নিবদ্ধ করা। আমাদের ধরণের ধারণা যেভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তা বোঝার জন্য অপর্যাপ্ত। এটি প্রমাণের বোঝা পুরোপুরি মহিলাদের উপর চাপিয়ে দেয় এবং তাদের অপ্রাপ্ত সামাজিকীকরণের জন্য তাদের দোষ দেয়, তাদের উচ্চাভিলাষের অভাব, এবং তাদের পুরুষতান্ত্রিক মূল্যবোধের আকাঙ্ক্ষা। সমানভাবে চ্যালেঞ্জিং প্রশ্ন হল কেন ছেলেরা প্রযুক্তিগত বিষয়গুলি কেন পছন্দ করেছে এবং ছেলেরা কীভাবে ঐতিহাসিকভাবে প্রযুক্তিবিদ হিসাবে সামাজিকীকরণ করেছে।

লুসি গ্রিন সংগীত শিল্পী ও নির্মাতাদের ক্ষেত্রে এবং বিশেষত শিক্ষাগত কাঠামোর উপর যেমন তারা উভয়ের সাথে সম্পর্কিত, তে লিঙ্গকে কেন্দ্র করে নিয়েছেন। তিনি সুপারিশ করেন যে “ডিজে গান, সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং প্রযোজনার মতো শক্তিশালী প্রযুক্তিগত প্রবণতা রয়েছে এমন অঞ্চলগুলি থেকে মহিলাদের বিচ্ছিন্নতা” এই যন্ত্রগুলির তার অপছন্দ সম্পর্কে অগত্যা নয় তবে তাদের প্রভাবশালী পুরুষানুক্রমিক চিত্রের বাধা প্রভাবের সাথে সম্পর্কিত।এটি মহিলা এবং মেয়েরা ক্রমবর্ধমানভাবে টার্নটেবল এবং ডিজে অনুশীলনে জড়িত, পৃথকভাবে এবং সম্মিলিতভাবে এবং “ইডিএম এবং ডিজে সংস্কৃতিতে নিজের জন্য জায়গা তৈরি করে। ২০১৫ সালের একটি নিবন্ধে বেশ কয়েকটি বিশিষ্ট মহিলা ডিজে উদ্ধৃত করা হয়েছে: হান্না ওয়ান্টস, এলেন অ্যালিয়েন, মিস কিটিন, মনিকা ক্রুস, নিকোল মওদাবের, বি ট্র্রেটস, ম্যাগদা, নিনা ক্রাভিজ, নার্ভো এবং অ্যানি ম্যাক। এর দু’বছর পরে, আর একটি নিবন্ধ বিশ্বব্যাপী মহিলা ডিজে সহ নাস্তিয়া, টিআইএনওয়াই, নোরা এন পিউর, আঞ্জা স্নাইডার, পেগি গৌ, মায়া জেন কোলস, এবং এলি এবং ফার সহ একটি তালিকা প্রকাশ করেছে।

বাংলা গানের অপব্যবহার ডিজে গান দিয়ে
ডিজে গান

মহিলা ডিজে দ্য ব্ল্যাক ম্যাডোনাকে “বিশ্বের অন্যতম উত্তেজনাপূর্ণ টার্নটাবলিস্টদের মধ্যে একটি বলা হয়েছে। তার মঞ্চের নাম দ্য ব্ল্যাক ম্যাডোনা তার মায়ের প্রিয় ক্যাথলিক সাধুর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি। ২০১৮ সালে, দ্য ব্ল্যাক ম্যাডোনা ভিডিও গেমস গ্র্যান্ড থেফট অটো অনলাইন, আউটসোর্টস ডিএলসির অংশ হিসাবে একটি আবাসে ডিজে হিসাবে নিজেকে অভিনয় করেছিলেন।

মহিলা ডিজে লন্ডনের মতো এই অনুশীলনের প্রচার ও সমর্থনের জন্য উত্সর্গীকৃত বিভিন্ন প্রকল্প রয়েছে। কিছু শিল্পী এবং সংগ্রহকারীরা এই রীতিগুলি ছাড়িয়ে আরও লিঙ্গ অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, নিউইয়র্ক ভিত্তিক সম্মিলিত ও বুকিং এজেন্সি ডিসকউম্যান নিজেকে ” সিআইএস মহিলা, ট্রান্স উইমেন এবং লিঙ্গিকারের প্রতিভা উপস্থাপন এবং প্রদর্শনী হিসাবে বর্ণনা করেছেন।

জাপানে, নতুন বুশিরোয়াড ভোটাধিকার: ডিজে গান সমস্ত মহিলা ডিজে ইউনিটকে কেন্দ্র করে।

২০২১ সালের বিকাশ ক্যাশ আউট চার্জ

বিকাশ ক্যাশ আউট চার্জ নিয়ে আমাদের অনেকের মনে অনেক প্রশ্ন থাকে। এই পোস্টে আমারা বিকাশ অ্যাপ, এটিএম (ATM) সহ সকল ক্যাশ আউট চার্জ নিয়ে আলোচনা করবো।

বিকাশ অ্যাপ থেকে ১০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত সেন্ড মানি করতে কোনো চার্জ নেই। ৫০১ টাকা ও তার বেশি অ্যামাউন্টের ক্ষেত্রে প্রতি লেনদেনে ৫ টাকা চার্জ প্রযোজ্য হবে। *247# ডায়াল করে সেন্ড মানি করলে প্রতি লেনদেনে ৫ টাকা চার্জ প্রযোজ্য হবে।

সাধারাণত বিকাশে ক্যাশ আউট করার তিনটি মাধ্যম রয়েছে। যার উপর নির্ভর করে বিকাশ ক্যাশ আউট চার্জ 2021 করে থাকে। যথা:

  • বিকাশ অ্যাপ (App) ক্যাশ আউট চার্জ
  • বিকাশ এটিএম (ATM) ক্যাশ আউট চার্জ
  • *247# ডায়াল এর মাধ্যমে

মোবাইল ব্যাংকিং এর মধ্যে বিকাশ বাংলাদেশে অন্যতম। দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে টাকা পাঠাতে এটি হতে পারে সেরা মাধ্যম। কোন মাধ্যম ব্যবহার ক্যাশ আউট করা হয় তার উপর ভিত্তি করে বিকাশ ক্যাশ আউট চার্জ করে থাকে।

 

বিকাশ অ্যাপ থেকে ক্যাশ আউট চার্জ

বিকাশ অ্যাপ থেকে ক্যাশ আউট চার্জ

বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে অন্যন্য বিশ্বের অনলাইন পেমেন্টের (Payoneer, PayPal, Skrill, Neteller, Perfect Money) মত বিকাশেরও একটি অ্যাপ রয়েছে।

বিকাশ অ্যাপ ক্যাশ আউট চার্জ হলো প্রতি হাজারে ১.৭৫%। অর্থাৎ ১ হাজার টাকায় ১৭.৫০ টাকা খরচ হবে বিকাশ অ্যাপ থেকে ক্যাশ আউট করলে। তার মানে আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্টে ১০১৭.৫০ টাকা থাকলে । বিকাশ অ্যাপ ব্যবহার করে ১০০০ টাকা ক্যাশ আউট করতে পারবেন। আর বাকি ১৭.৫০ টাকা বিকাশ ক্যাশ আউট চার্জ হিসাবে কেটে নিবে।

আরও পড়ুনঃ-

      কিভাবে বিকাশে টাকা আয় করা যায়
    মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট
    কোন গেম খেলে টাকা আয় করা যায় 
     গেম খেলে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট 

 

বিকাশের এটিএম থেকে ক্যাশ আউট চার্জ

বিকাশের এটিএম থেকে ক্যাশ আউট চার্জ

অনেক স্মার্ট লোক এটিএম (ATM) ব্যবহার করতে পছন্দ করেন। তাছাড়া বিকাশে এটিএম (ATM) এর ক্যাশ আউট খরচ সবচেয়ে কম। তবে বিকাশের এটিএম থেকে ক্যাশ আউট করতে হলে আপনার আট্ম কার্ডের প্রয়োজন হবে।

এটিএম থেকে ক্যাশ আউট করলে বিকাশ হাজারে ১৫ টাকা চার্জ করে। যা অন্য মাধ্যমের তুলনায় খুবই কম। তবে একটি কথা মনে রাখবেন ২০০০ টাকার নিচে এটিএম থেকে ক্যাশ আউট করা যায় না। তাই বেশি টাকা এটিএম থেকে আউট করাই ভাল হবে।

*247# ডায়েলে বিকাশে ক্যাশ আউট চার্জ

মোবাইল থেকে *247# ডায়াল করে ক্যাশ আউট করলে Bkash ১.৮৫% হারে চার্জ করে। যা প্রতি হাজারে ১৮.৫০ টাকা। তবে আপনি রকেট ব্যাবহার করলে অনেকটাই খরচ কমাতে পারবেন। কেননা রকেটের কোড ডায়ালের ক্যাশ আউট চার্জ খুবই কম।

তাছাড়া এই মাধ্যম থেকে Bkash App ব্যবহার করা সহজ ও খরচ কম।  তাই বিকাশ অ্যাপ ব্যবহার করাই শ্রেয়।

 

বিকাশ ক্যাশ আউট চার্জ নিয়ে বিস্তারিত 

আপনি বিভিন্ন উপায়ে বিকাশ থেকে ক্যাশ আউট করলে অনেক ক্ষেত্রেই কোন রকমের ক্যাশ আউট চার্জ প্রযোজ্য হবে না। যার মানে হল আপনি বিকাশ ক্যাশ আউট ফ্রি ভাবে করতে পারবেন।

বিকাশ অ্যাপ দিয়ে আপনি যখন ৫০০ টাকা বা তার কম সেন্ড মানি করবেন তখন কোন ক্যাশ আউট চার্জ প্রযোজ্য হবে না। এছাড়াও আপনি যদি কোন কার্ড থেকে বিকাশ একাউন্ট সেন্ড মানি করেন তাহলে আপনার কোন চার্জ প্রযোজ্য হবে না। মার্চেন্ট একাউন্ট থেকে আপনি যদি কোন রকমের পেমেন্টের কাজ সম্পাদন করেন তাহলে আপনার জন্য কোন চার্জ প্রযোজ্য হবে না।

আপনি যদি এজেন্টের কাছ থেকে বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে ক্যাশ আউট করেন; তাহলে ৫০ টাকা ক্যাশ আউটে আপনার কিছু পয়সা কেটে যাবে। আর উপরোক্ত উপায়ে আপনি যদি বিকাশ একাউন্ট থেকে ক্যাশ আউট করেন বা লেনদেন করেন তাহলে বিকাশ ক্যাশ আউট ফ্রি প্রযোজ্য হবে।

  • একজন বিকাশ একাউন্ট হোল্ডার তার বিকাশ একাউন্ট থেকে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা এবং প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ১৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত টাকা তুলতে পারবেন (এজেন্ট এবং এটিএম থেকে সম্মিলিতভাবে)
  • আপনি ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড এটিএম ক্যাশ আউট সার্ভিস ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনার বিকাশ একাউন্ট থেকে একটি একক লেনদেনে ২,৫০০ টাকা শুরু করে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশ আউট করতে পারবেন।
  • একজন বিকাশ একাউন্ট হোল্ডার যে কোন মুহূর্তে তার একাউন্টে-এ সর্বোচ্চ ৩০০,০০০ টাকা রাখতে পারবেন।
  • একটি বিকাশ একাউন্ট থেকে যেকোনো সময়ে একবারে প্রিপেইড নাম্বারে সর্বোচ্চ *১,০০০ টাকা এবং পোস্টপেইড নম্বরে সর্বোচ্চ *৫,০০০ টাকা মোবাইল রিচার্জ করতে পারবেন।
  • রেমিটেন্স-এর ক্ষেত্রে বিদেশ থেকে একজন ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রতিদিন ১,২২,৫০০ টাকা পর্যন্ত এবং মাসে সর্বোচ্চ ৪,৪১,০০০ টাকা পাঠাতে পারবেন। প্রেরিত অর্থের সাথে ২% সরকারী প্রণোদনা যুক্ত হবে।
  • শুধুমাত্র স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক থেকে অ্যাড মানি সার্ভিসের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬০ টাকা লিমিট প্রযোজ্য হবে।

আরও পড়ুনঃ-

      কিভাবে বিকাশে টাকা আয় করা যায়
    মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট
    কোন গেম খেলে টাকা আয় করা যায় 
     গেম খেলে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট 

 

বাংলা গানের অপব্যবহার ডিজে গান দিয়ে

 

ডিজে গান দিয়ে গানের অপব্যবহারঃ

বাংলা গানের চরমভাবে অবমাননা করা হচ্ছে ডিজে গান দিয়ে। ডিজে গান দিয়ে বাংলা গানকে বিভিন্নভাবে ব্যঙ্গ করে তৈরি করা হচ্ছে এরকম চিত্র। বাংলা গানের অপব্যবহার ইউটিউব খুললে অহঃরহ চোখে পড়তে দেখা যায়।

বর্তমানে ইউটিউব এর মত সোশ্যাল মিডিয়ায় ডিজে গান দিয়ে ব্যাপক হারে বাংলা গানের অপব্যবহার চলছে। বেশি পরিমাণ ভিউয়ের আশায় বাংলা গানকে বিভিন্ন আঙ্গিকে প্রকাশ করা হচ্ছে মানুষের সামনে। ইউটিউবে যত বেশি ভিউ হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ডলার তত বেশি পাবে। এই আশায় বিভিন্ন বাংলা গান, হিন্দি গানকে ডিজে আকারে প্রকাশ করছে ক্রিয়েটর। বাংলা ডিজে গান, হিন্দি ডিজে গান এছাড়াও বিভিন্ন গান কে অপব্যবহারের মাধ্যমে ডিজে গান এ রূপান্তরিত করা হচ্ছে। জনপ্রিয় কোন গানকে বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে আলাদা মিউজিক ব্যবহার করে ডিজে গানে পরিণত করা হচ্ছে। এরকম অনেক সফটওয়্যার গুগল প্লে স্টোরে সচরাচর পাওয়া যায়। মানুষের রুচি বদলে গেছে। তারা কিছু বিনোদনের আশায় ইউটিউব, ফেসবুক নামক সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রবেশ করেন।

 

ডিজে গানের ইতিহাসঃ 

DJ এর পূর্ণরূপ হলো disc jockey DJ গানের আবিষ্কারক Leon scott । তিনি ১৯০৯ প্রথম DJ গান আবিষ্কার করেন। আসলে DJ Song নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই, যা আছে, তা হলো রিমিক্সরিমিক্স বলতে বোঝায় গানটার পুনরায় কম্পোজিশন। কিন্তু অনেক ছেচরা কম্পিউটার ইউজার ও সাউন্ড রিলেটেড ফাইল সহজলভ্য হওয়াতে তা দিয়ে যা করা হচ্ছে, তাই কিন্তু রিমিক্স নয়। রিমিক্স মানে এতে কোনো নতুন সুর থাকবে। যাই হোক, DJ Song বলে কিছু নেই, যা আছে তাকে EDM বলে, মানে Electronic Dance Music, যেখানে গানের বেশি অংশ জূড়ে থাকে কম্পোজিশন বা মিউজিক। ধুম ধাম বেস থাকলেই তা কম্পোজিশন বা EDM না, তা শুধু ছেচরামি বলা যায়।

বাংলা গানের অপব্যবহার ডিজে গান দিয়ে
ডিজে গান

বর্তমান যুগে যে কোন কারনেই হোক না কেন বাংলা গানের একটি ডিজে গান বের হয় |  ডিজে গান জনপ্রিয় এবং তার ভিতরে ও সবথেকে জনপ্রিয় হলো ডিজে হিন্দি গান যদি রোস্ট করা হয় | আপনি যদি পুরনো বাংলা ডিজে গান পছন্দ করে থাকেন তাহলে সবথেকে জনপ্রিয় কিছু হিন্দি ডিজে গান আপলোড করা হয়েছে এই গানগুলো শুনতে পারবেন এবং ইউটিউব থেকে দেখতে পারবেন |  সব থেকে নিচে গানগুলো প্লে করার জন্য একটি টেবিল সংযুক্ত করা হয়েছে আপনি টেবিল থেকে গানগুলো প্লে করতে পারবেন |

 

 

এছাড়াও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ডিজে গান বাজিয়ে বিভিন্ন হাঙ্গামা সৃষ্টি করেন তরুণ সমাজ। বিয়ের অনুষ্ঠানে, পুজোর মন্ডপে এছাড়াও কোন সামাজিক অনুষ্ঠানে ডিজে গান বাজিয়ে অনুষ্ঠানটিকে অসমাজিক করে তুলেন আমাদের তরুণ সমাজ।

সকলের প্রতি অনুরোধ বাংলা গানকে কোনরূপ অপব্যবহার না করে সামাজিক আওতাধীন বিভিন্ন অনুষ্ঠান পরিচালনা করার।  সমাজের প্রতিটি অনুষ্ঠানকেই একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে পরিণত করার আহ্বান থাকবে আপনাদের কাছে।

আর আমাদের সমাজের যে ব্যক্তিরা ডিজে গান বানাতে ব্যস্ত তাদের প্রতি অনুরোধ আপনারা বাংলার ঐতিহ্য ধ্বংস করবেন না। বাংলা গানের অপব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে বাংলা গান চরমভাবে অপমানিত। তাই যারা বিভিন্ন ডিজে গান বানান তারা বিভিন্ন যাচাই বাছাইয়ের মাধ্যমে গানকে রিমিক্স করবেন। আপনি যে গানটি ডিজে গানে পরিণত করতে চাচ্ছেন সেই গানের রিমিক্স, কথা ও সুর যেন কোনরূপ ব্যাঙ্গার্থক না হয় সেদিকে আপনারা খুব বেশি নজর দিবেন। তাহলে আপনাকে বাংলা গানের  অপব্যবহার হবে না এবং মাধুর্যতা নষ্ট হবে না।

 

চিকনি চামেলি  ডিজে হিন্দি গানডাউনলোড
রা রা রা নাক মুকাডাউনলোড
বড়লোকের বেটি লো  (গান্ধা ফুল)ডাউনলোড
অর্ণী অর কে উরি যায়  ডিজে গান Odhaniডাউনলোড
স্লো মশান রে হিন্দি ডিজে সং Slow Motion DJডাউনলোড
গান্ধী  বাত হিন্দি  গানডাউনলোড

 

আপনারা যখন ডিজে গান শোনেন তখন উচ্চস্বরে সাউন্ড বক্স বাজিয়ে পরিবেশের শব্দ দূষণ সৃষ্টি করেন। তাতে অনেকের অনেক ধরনের সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে যারা বয়স্ক মানুষ তাদের জন্য উচ্চ রক্তচাপ, শিক্ষার্থীদের জন্য পড়াশোনার সমস্য্া  বিভিন্ন কাজের ব্যাঘাত সৃষ্টি ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে । তাই যখন-তখন বাঁকুড়া ডিজে গান  সাউন্ড বক্সে বাজাবেন না।