শিক্ষার্থীদের সরকারি অনুদান কিভাবে পাওয়া যাবে ২০২১

শিক্ষার্থীদের আর্থিক সরকারি অনুদান

বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের মাঝে ২০২০-২০২১ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের বিশেষ মঞ্জুরির সরকারি অনুদানের টাকা বিতরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের এ টাকা পেতে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছিল। এরপর দুই দফা এই আবেদনের সময় বাড়ানো হয়েছে।

 

শিক্ষার্থীদের সরকারি অনুদান পাওয়ার উপায়, কারা পাবেন

জানা গেছে,  ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিশেষ মঞ্জুরির টাকা বিতরণে ইতোমধ্যে নীতিমালা জারি করা হয়েছে। এ নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষক শিক্ষার্থীরা বিশেষ মঞ্জুরীর টাকা পেতে আবেদন করতে হবে। সরকারি এবং বেসরকারি এমপিওভুক্ত ও ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসা, দৈব দুর্ঘটনা এবং চিকিৎসার খরচের জন্য বিশেষ মঞ্জুরির অনুদান প্রাপ্তির আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী, অসহায়, অস্বচ্ছল ও মেধাবী, অনাগ্রসর সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীরা অগ্রধিকার পাবেন। এছাড়া দেশের সব স্বীকৃতি প্রাপ্ত বা এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মেরামত ও সংস্কার, আসবাব পত্র তৈরি, খেলাধুলার সরঞ্জাম ক্রয়, পাঠাগার উন্নয়ন ও প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী বান্ধব করার জন্য বিশেষ মঞ্জুরির অনুদানের আবেদন করা যাবে। তবে বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অনাগ্রসর এলাকার অস্বচ্ছল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার পাবে। আর বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষক কর্মচারীরা দুরারোগ্য ব্যাধি বা দৈব দুর্ঘটনার জন্য মঞ্জুরির আবেদন করতে পারবেন।

স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের আর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বিভাগীয় প্রধানের প্রত্যয়ন পত্র আবেদনে সংযুক্ত করতে হবে। শিক্ষক-কর্মচারী ক্যাটাগরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে ডাক্তারি সনদ ও দৈব দুর্ঘটনার স্বপক্ষের প্রমাণ সংযুক্ত করে আবেদন করতে হবে। আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য অনুদানের আবেদনের ক্ষেত্রে ম্যানেজিং কমিটির প্রত্যয়ন সংযুক্ত করতে হবে। শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অনুদান বাবদ বরাদ্দের টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পাঠানো হবে। আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বরাদ্দের টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সরকারি অনুদানের জন্য আবেদন করার লিংক :

কারিগরি ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সরকারি অনুদানের জন্য আবেদন করার লিংক :

নীতিমালাটি কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, সকল জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবরে বিতরণসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে (tmed.gov.bd) আপলােড করা হয়েছে।

২৫ লাখ শিক্ষার্থীকে অনলাইন ক্লাসের জন্য ১২৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছে বিশ্বব্যাংক

২৫ লাখ শিক্ষার্থীকে অনলাইন ক্লাসে যুক্ত করতে অনুদান দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। করোনার ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ও প্রাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা স্তর পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত সংকট মোকাবিলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণে অনুদান দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর অ্যাডুকেশনের (জিপিই) করোনা এক্সিলারেট ফাউন্ডিং থেকে ১৪ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে সংস্থাটি। প্রতি ডলার সমান ৮৫ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নগরীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে অনুদান চুক্তিসই হয়। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন চুক্তিতে সই করেন।

প্রকল্পের আওতায় ৩৫টি বিষয়ের ওপর ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে প্রাক-প্রাথমিক থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ২৫ লাখ শিক্ষার্থীকে দূরশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া হবে।

এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর

সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে প্রথম বর্ষ এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। ২০২০-২১ শিক্ষা বর্ষে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের ভর্তি পরীক্ষার নীতিমালা অনুযায়ী এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা থেকে ১ মার্চ রাত ১১ টা ৫৯ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন মেডিক্যাল কলেজে ভর্তিইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা। টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইলের মাধ্যমে এক হাজার টাকা জমা দিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে শিক্ষার্থীদের। রোববার স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) এ কে এম আহসান হাবীব স্বাক্ষরিত ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আবেদন করার যোগ্যতা মেডিক্যাল কলেজে এমবিবিএস ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় যারা বাংলাদেশের নাগরিক এবং ২০১৭ বা ২০১৮ সালে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় এবং ২০১৯ বা ২০২০ সালে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় (পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞানসহ) উত্তীর্ণ হয়েছেন, শুধু মাত্র তারাই ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। ২০১৭ সালের আগে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীরা আবেদনের করতে পারবেন না।

দেশি অথবা বিদেশে পরিচালিত শিক্ষা কার্যক্রমে এসএসসি বা সমমান এবং এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ ৯ থাকতে হবে। ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠি ও পার্বত্য জেলার প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৮ হতে হবে। তবে কোনো পরীক্ষায় ৩ দশমিক ৫০ জিপিএ না থাকলে শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে না। সেই সাথে এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় জীববিজ্ঞানে ন্যূনতম গ্রেড পয়েন্ট থাকতে হবে ৩ দশমিক ৫০।

ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের পর কীভাবে প্রবেশ পত্র সংগ্রহ করবেন শিক্ষার্থীরা মেডিক্যাল কলেজে আবেদন করার পর ২০ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।

ভর্তি পরীক্ষার সময় আগামী এপ্রিল মাসের ২ তারিখ , সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত। প্রচলিত নিয়মে ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

 

Important dates and schedule
  • Start of Application:  11 February 2021
  • Application Deadline:  01 March 2021
  • Admit Card Download Last Date: 20 March 2021
  • Admission Test Date: 02 April 20021
  • Application Fee: 1000 Taka
  • Apply link: dghs.teletalk.com.bd

 

ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি ও মেধাতালিকা প্রস্তুতের নিয়ম:
মোট ১০০ নম্বরের প্রতিটি প্রশ্নে থাকবে ১ নম্বর করে মোট ১০০টি এমসিকিউ প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে শিক্ষার্থীদের। ১ ঘণ্টাব্যাপী এই এমসিকিউ পরীক্ষায় পদার্থবিদ্যায় ২০, রসায়নে ২৫, জীববিজ্ঞানে ৩০, ইংরেজিতে ১৫ এবং সাধারণ জ্ঞান, ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ১০ নম্বর (মোট ১০০) থাকবে। তবে লিখিত পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য পয়েন্ট ২৫ নম্বর কাটা যাবে। লিখিত পরীক্ষায় পাস করতে হলে ১০০ নম্বরের কমপক্ষে ৪০ নম্বর পেতে হবে। লিখিত পরিক্ষায় ৪০ বা তার চেয়ে বেশি নম্বর পাওয়াদের নিয়েই প্রস্তুত করা হবে মেধাতালিকা। এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ মোট ২০০ নম্বর হিসাবে নির্ধারণ করে মূল্যায়ন করা হবে।

মেডিকেল ভর্তি আগের নিয়মেই:
এবারও আগের নিয়মেই ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। এক্ষেত্রে আবেদনের শর্ত এবং এসএসসি ও এইচএসসি জিপিএর উপর ধার্য করা ২০০ নম্বরও কমানো হচ্ছে না। পূর্ববর্তী বৎসরের এইচএসসি পাস প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মোট নম্বর থেকে ৫ নম্বর এবং পূর্ববর্তী বছরের সরকারি মেডিকেল, ডেন্টাল কলেজ ডেন্টাল ইউনিটে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মোট নম্বর থেকে ৭ দশমিক ৫ নম্বর কেটে মেধাতালিকা তৈরি করা হবে।

বিদেশে থেকে কীভাবে বাংলাদেশিরা আবেদন করবেন:
বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিক এবং ‘ও’ লেভেল ‘এ’ লেভেল পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে তাঁদের পরিচালক, চিকিৎসা শিক্ষা স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা বরাবর দুই হাজার টাকার ব্যাংক ড্রাফট/পে অর্ডারসহ আবেদন করতে হবে। আবেদন করে সিজিপিএ রূপান্তর করে সমমানের সার্টিফিকেট সংগ্রহের সময় আইডি নম্বর নিতে হবে। সমমানের সার্টিফিকেট সংগ্রহের সময় এসএসসি সনদপত্রের সত্যায়িত কপি সঙ্গে আনতে হবে।

ডেন্টাল পরীক্ষার দিন তারিখ:
২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ কররেও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর এখনও ডেন্টালের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেনি। অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) এ কে এম আহসান হাবীব গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আগামী ৩০ এপ্রিল বিডিএস কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিডিএস কোর্সের আবেদন শুরু হবে ২৭ মার্চ থেকে। চলবে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।

এসএসসি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

এসএসসি শিক্ষার্থীদের ক্লাসে পাঠদানের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলো যথাযথভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে।  যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডা দীপু মনি । তিনি আরো জানান, ১৪ ফেব্রুয়ারির পর যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া সম্ভব হয় তাহলে মে মাসের মধ্যেই এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

এই পরীক্ষা নেওয়ার জন্য সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। জুলাই-আগস্টের দিকে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি জানান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর এসএসসির জন্য ৬০ কর্ম দিবস এবং এসএসসির জন্য ৮৪ কর্ম দিবস পরিচালনা করবেন। সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করে সিলেবাস শেষ করা হবে।  ২০২২ সালের এসএসসিএইচএসসি সিলেবাস কমানো হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন আমরা ঝুঁকি নিতে চাইনি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে শিক্ষার্থীদের করুনার হুমকির মুখে ফেলে আমরা কোন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করব না। তবে শিক্ষাবর্ষের ঘাটতি পূরণ করতেই সরকার যতটা সম্ভব চেষ্টা করবেন দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের সপ্তাহের ৬ দিন ক্লাস নেওয়ার চেষ্টা করবেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর তবে পরিবর্তন আনা হবে নবম ও একাদশ শ্রেণির ক্ষেত্রে।

বিশ্ববিদ্যালয় খোলার প্রসঙ্গে ডা দীপু মনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আবাসিক শিক্ষার্থীদের শিক্ষার আওতায় আনা হবে। এরপর তাদের অনুরোধ করা হবে যেন দ্রুত খুলে দেয় তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

৪ ফেব্রুয়ারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি

বিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে একটি নির্দেশিকা চূড়ান্ত করছে শিক্ষা মন্ত্রনালয় । ৪ ফেব্রুয়ারিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি আবার চালু হবে সরকার এখনও তা ঘোষণা করতে পারেনি, তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা শিগগিরই আবার খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

সরকার ফেব্রুয়ারি থেকে সীমিত স্কেলে স্কুলগুলিতে শারীরিক উপস্থিতি পুনঃসূচনা। বন্ধ করে দিচ্ছে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাবলিক পরীক্ষা প্রস্তুত করার জন্য নির্দেশনা দিচ্ছে। করোনা ভাইরাস মহামারীজনিত কারণে প্রায় ১০ মাস বন্ধ হওয়ার পরেফেব্রুয়ারি থেকে সীমিত স্কেলে স্কুলগুলিতে শারীরিক উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনা চলছে।

প্রতিদিনের সংক্রমণের হার ৫% এর নিচে হওয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি খুব শীঘ্রই চালু করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

“আমরা সম্ভাব্য পুনরায় খোলার প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করছি এবং আশা করছি এটি শিগগিরই সরকার চূড়ান্ত করে দেবে। শিক্ষামন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াটি ঘোষণা করবেন,” মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন বলেছেন।

 

করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরুতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের চাপ এসেছিল অভিভাবকদের কাছ থেকে। এখন ১০ মাস বন্ধের পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি উঠছে। বেসরকারি সংস্থা গণসাক্ষরতা অভিযানের এডুকেশন ওয়াচ নামের এক সমীক্ষার তথ্য বলছে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের ৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থী ও ৭৬ শতাংশ অভিভাবক বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার পক্ষে। জাতীয় সংসদেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

 

বর্তমানে, বাংলাদেশে কোভিড -১৯ এর জন্য প্রতিদিনের পরীক্ষা-ইতিবাচক হার নিম্নমুখী ছিল এবং বৃহস্পতিবার সকাল অবধি এটি ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৩.৯6% নেমে এসেছে।

গত বছরের মার্চ মাসে, করোনাভাইরাস মহামারীজনিত কারণে সরকার দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করে এবং সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে।

 

সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে, বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি টমো হোজুমি বলেছেন: “মহামারীর উচ্চতায় বিশ্বের ১৯২ টি দেশ বিদ্যালয় বন্ধ করে দিয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৭৩ শতাংশ দেশ সম্পূর্ণরূপে বা আংশিকভাবে স্কুলগুলি পুনরায় চালু করেছিল। এটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপদ স্কুল পুনরায় খোলার জন্য নির্ধারিত একটি নির্দিষ্ট তারিখের দিকে পরিচালিত পরিকল্পনার প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য। ”

 

প্রাথমিক আলোচনা অনুসারে, সামাজিক দূরত্ব বাড়ানোর সুবিধার্থে স্কুলে উপস্থিতি অচল হতে পারে এবং সমস্ত শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। উদাহরণস্বরূপ, ষষ্ঠ গ্রেডার রবিবার এবং সোমবার স্কুলে যেতে পারে, এবং সপ্তম গ্রেডার মঙ্গলবার এবং বুধবারে যেতে পারে।